কার্গো ‘ভিড়ছে’ সামিটের টার্মিনালে, গ্যাস সরবরাহে উন্নতির আশা

সামিটের ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ)—ফাইল ছবি
মহেশখালীতে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) সম্পূর্ণভাবে সচল ও গ্যাস রিগ্যাসিফিকেশনের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
আজ শুক্রবার এক বার্তায় সামিট জানিয়েছে, সন্ধ্যা নাগাদ একটি নতুন এলএনজি কার্গো তাদের টার্মিনালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এতে গ্যাস সরবরাহ উন্নতি হতে পারে। তবে সামগ্রিক জাতীয় গ্রিডে স্বস্তি ফিরতে হলে এক্সিলারেটের টার্মিনালও পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে হবে, যা এখনো কয়েক দিনের বিষয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানালেন, সমুদ্রে উত্তাল ঢেউয়ের কারণে একটি এলএনজি কার্গো জাহাজ টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হয়নি, ফলে সামিটের টার্মিনালটি চালু থাকলেও সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। এর ফলে বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে চাহিদার প্রায় অর্ধেকেরও নিচে। দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুটের বিপরীতে সরবরাহ ছিল মাত্র ১৯০ কোটি ঘনফুটের কাছাকাছি।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, এক্সিলারেটের টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত কেবল প্রতিস্থাপনের কাজ শেষ হলেও দ্বিতীয় বয়লারটি পূর্ণক্ষমতায় সিনক্রোনাইজ করতে আরও ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হবে।
জ্বালানি বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমানে সামিটকে আগে পূর্ণ সরবরাহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আর চাহিদা কিছুটা কমলে মেরামতের জন্য এক্সিলারেটের টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।








