চট্টগ্রাম বন্দরে গমবাহী জাহাজে তেলের জাহাজের ধাক্কা
- ইঞ্জিন রুমে পানি

ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে সাগরে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সানশাইন জাহাজটি ছিল বেসরকারি আমদানিকারকের গমবাহী জাহাজ। আরেকটি ট্যাংকারে ‘সি স্পাইক’ সরকারি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের জন্য আনা গ্যাস অয়েল।
আজ শুক্রবার দুপুর ২টা নাগাদ এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর সানশাইন জাহাজের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকতে থাকে। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সি স্পাইক জাহাজটি এখনো অক্ষত আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক নাবিক জানালেন, ‘লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী বাল্ক জাহাজ ‘সানশাইন’ বহির্নোঙরের আলফা অ্যাঙ্করেজে নোঙর করা ছিল। একই সময়ে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘সি স্পাইক’ নোঙর করার সময় ‘সানশাইন জাহাজ’কে ধাক্কা দেয়। সানশাইন জাহাজের খোলের ক্ষতি হয় এবং পরবর্তী সময়ে ইঞ্জিন রুমের ভেতর পানি ঢুকতে থাকে।’
এই ঘটনার পর বন্দরের পাইলট এবং উদ্ধার সহায়তাকারী জাহাজ টাগবোট ‘কান্ডারী-৮’ এবং কোস্ট গার্ড টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।
তারা এখন দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজকে সহায়তা দিচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, সি স্পাইক ট্যাংকার নোঙর করার সময় বন্দরের নিজস্ব পাইলট নেওয়ার নিয়ম আছে। ভাড়া করা পাইলট দিয়ে জাহাজ নোঙর করতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সি স্পাইক জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দর বহির্নোঙরে বাইরে থাকা জাহাজের ক্ষেত্রে বন্দরের নিজস্ব পাইলট নিতে হয় না। বে পাইলট দিয়েই আমরা চালাই। সানশাইন জাহাজে বিদেশ থেকে আসা ৫২ হাজার টন গম ছিল। আর সি স্পাইক জাহাজে সরকারের ৩৩ হাজার টন গ্যাস অয়েল বোঝাই ছিল।








