‘ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে’, ট্রাম্পের নিষেধেও রুশ তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়ে বললেন জেলেনস্কি

ছবি: রয়টার্স
রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগারে বৃহস্পতিবার হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সমর্থন করা বন্ধ করছে কিয়েভ। রাশিয়া ওই যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ট্রাম্প রবিবার আকস্মিকভাবে ঘোষণা দেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। এরপর থেকে কিয়েভ রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে হামলা স্থগিত রেখেছিল। বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বাড়ার জন্য এসব শোধনাগারকে দায়ী করেন ট্রাম্প।
কিন্তু পরবর্তী দিনগুলোতে রাশিয়া প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো জ্বালানি স্থাপনাও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। এতে কয়েক লাখ মানুষের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।
জেলেনস্কি আরও স্পষ্ট করেন, চলতি সপ্তাহে স্পেসএক্সের স্টারলিংক রিসিভারের সামরিক সংস্করণের সক্ষমতায় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেটিকে তিনি নীতিগত সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন। এই পরিবর্তনের ফলে ড্রোন পরিচালনায় স্টারলিংক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউক্রেনের সক্ষমতা কমেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো কারিগরি সমস্যা ছিল না, এটি ছিল সদিচ্ছার বিষয়।’
রাতের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক বলেন, স্টারলিংকের সামরিক সংস্করণ, যা ‘স্টারশিল্ড’ নামে পরিচিত, সেটির ব্যবহার শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
মাস্ক লেখেন, ‘স্টারশিল্ড ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মালিকানাধীন এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন। গতি বা ব্যবহারের ওপর যেকোনো সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।’




