আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল, জামিন নামঞ্জুর

এ এন এম আয়াস ও মারজিয়া খন্দকার রিমি
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানার মামলায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সভাপতি এ এন এম আয়াস ও মারজিয়া খন্দকার রিমির জামিন শুনানিতে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ ঘটনার জেরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় অবস্থান নেন।
আদালতসূত্র জানিয়েছে, ৪টা ৩৮ মিনিট বিচারক এজলাস ছাড়েন। এরপর ৪টা ৪২ মিনিটে এজলাসে উঠেন, আদেশ দেন তিনি।
আদেশে দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।
পরে ‘মাননীয় আদালত’ সম্বোধন করে কথা বলার চেষ্টা করেন আসামি আয়াস। তবে তার কথা না শুনেই ৪টা ৪৪ মিনিটে এজলাস থেকে নেমে যান বিচারক।
এর আগে এদিন তিন দিনের রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল।
আবেদনে পুলিশ বলেছে, দুই আসামিকে রিমান্ডে পেয়ে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামির বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং তাদের নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সেগুনবাগিচা এলাকায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির গেটের বিপরীত পাশে গণপূর্তের সীমানা প্রাচীরে শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন গ্রাফিতি অঙ্কন করেন। গত ৯ অক্টোবর আসামি আল নুর মোহাম্মদ আয়াস সীমানা প্রাচীরের অঙ্কিত গ্রাফিতিতে চুনকালি মুছে ফেলার ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী আসামিরা একত্র হন। এরপর তারা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি মেখে দেন।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অজ্ঞাতনামা আসামিরা দৌড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করে।




