Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
জলবায়ুকর্মী অপু বিদেশের মঞ্চে
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

মহাফাঁদে ২ মহামতি

  • ট্রাম্পের ভাঙা গদি ও নেতানিয়াহুর টালমাটাল মসনদ
হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউ ইয়র্ক থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬
শেয়ার করুন:
মহাফাঁদে ২ মহামতি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কারও মুখে ‘ডানপন্থী পপুলিজমের পোস্টারবয়’, কেউ বললেন ‘পারফেক্ট পার্টনার’। মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষায়— ‘সুবিধাবাদী জুটি’। ‘স্বার্থের বিয়ে’ তকমাও কম জোটেনি কপালে। বিশ্ব জুড়ে কত নামেই না পরিচিত তারা! তবে এসব সমালোচনা কখনোই গায়ে মাখেননি দুজনের কেউ। বরং নিজেদের দাবি করেছেন ‘ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যজন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হাজার মাইল দূরত্বে অবস্থান করলেও ক্ষমতা, রাজনীতি আর মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ দুই মহামতি। বিশ্বকাঁপানো দুই রাষ্ট্রনায়ক। নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে আজ চরম সংকটে দুজনই। দুদিন আগেও যারা ‘মহানায়ক’ ভাবতেন নিজেদের; আজ তারাই মহাফাঁদে! উগ্র জাতীয়তা আর ক্ষমতার দম্ভ— একই চোরাবালিতে ডুবল দুই সূর্য।

ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর অন্ধ ভরসা করে নেতানিয়াহু যে রাজনৈতিক জুয়া খেলেছিলেন, শেষ পর্যন্ত তা রূপ নিয়েছে বড় ব্যর্থতায়। আজ ট্রাম্পের সেই অহংকারের গদি যেমন ভাঙা, তেমনি নেতানিয়াহুর সুরক্ষিত সিংহাসনও সম্পূর্ণ শূন্য ও নিঃসঙ্গ। একে অন্যকে টিকিয়ে রাখার যে চক্রান্ত তারা করেছিলেন, তা আজ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। একজনের হোয়াইট হাউজের জৌলুশ ধুলোয় মিশেছে, অন্যজনের রাজনৈতিক দুর্গে ধস! ইতিহাসের পাতায় এই যৌথ পতন শুধু দুটি ক্ষমতা হারানোর গল্প নয়, বরং অতিরিক্ত দম্ভ আর ভুল চালের কারণে দুই বন্ধুর একসঙ্গে তলিয়ে যাওয়ার এক চরম বাস্তব উদাহরণ।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যালটের নীরব বিদ্রোহ

গত ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে কংগ্রেসের দুই কক্ষ থেকেই। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট— উভয়কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে। ফলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি দুই বছর আর আগের মতো নির্বিঘ্নে কাটবে না।

নির্বাচনের ফলকে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের অনাস্থার বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, ইরান যুদ্ধ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভোটারদের মনোভাব বদলে দিতে ভূমিকা রেখেছে। এমনকি ২০২৪ সালে যেসব রক্ষণশীল রাজ্যে ট্রাম্প বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন, সেখানেও ডেমোক্র্যাটদের উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে ক্ষমতার ভারসাম্যে। এতদিন কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ট্রাম্পকে অনেকটা বাধাহীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ থাকায় তার আইনপ্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত ও শুনানির সুযোগও বাড়বে। অর্থাৎ ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকছেন, কিন্তু তার রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিসর সংকুচিত হচ্ছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফল তার নেতৃত্বের ওপর বড় ধরনের গণরায়।

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক দুর্গেও ফাটল

ট্রাম্পের জন্য যখন ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাচ্ছে, তখন ইসরায়েলেও নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের ক্ষমতার ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন পেয়েছে। তার নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পেয়েছে ১২০ আসনের নেসেটে ৫৩টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে আরও আটটি আসন প্রয়োজন।

অন্যদিকে বিরোধী শিবির পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের অবস্থানে নেই।

৪ নভেম্বর ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ফল অনুমোদন করেছে। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এখন দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটের জন্যও সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হলো, তার এতদিনের রাজনৈতিক মিত্রদের নিয়ে গড়া জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। নতুন করে জোট গঠন করতে না পারলে তাকে ক্ষমতা ছাড়ার পরিস্থিতিতেও পড়তে হতে পারে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। নেতানিয়াহু এখনই প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাননি। একইভাবে ট্রাম্পও প্রেসিডেন্ট পদ হারাননি। দুজনের সংকটের ধরন আলাদা। একজন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজনৈতিক চাপে, অন্যজন নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে সরকার গঠনের অনিশ্চয়তায়।

বন্ধুত্বের সমীকরণেও কি পরিবর্তন?

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচিত। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি, গোলান মালভূমি নিয়ে মার্কিন অবস্থান এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তায় ওয়াশিংটনের সমর্থন— এসব বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান নেতানিয়াহুকে রাজনৈতিক সুবিধা দিয়েছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধুত্বের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে ক্ষমতা ও স্বার্থের হিসাব। ট্রাম্প নিজেই এখন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ সামলাতে ব্যস্ত। অন্যদিকে নেতানিয়াহুকে নিজের দেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের প্রভাব দুই দেশের রাজনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধের ব্যয় ও অর্থনৈতিক চাপ ভোটারদের অসন্তোষ বাড়িয়েছে। ইসরায়েলেও নিরাপত্তা, যুদ্ধের পরিণতি এবং সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নির্বাচনী পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। সব মিলিয়ে দুই নেতার সামনে এখন ভিন্ন ধরনের পরীক্ষা। ট্রাম্পকে কংগ্রেসের বিরোধিতা মোকাবিলা করে নিজের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে হবে। আর নেতানিয়াহুকে হয় নতুন জোট গঠন করতে হবে, নয়তো ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি নিতে হবে।

একসময় যারা একে অন্যকে রাজনৈতিক শক্তি জুগিয়েছেন, আজ তাদের দুজনেরই নিজের ঘর সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশ্বরাজনীতির এই পালাবদলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন, নাকি তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষমতার রাজনীতির অবসান শুরু হলো?

নিউ ইয়র্কট্রাম্পনেতানিয়াহুমধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্রপ্রেসিডেন্টনির্বাচন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    মুচলেকায় মুক্ত সাংবাদিক রাজীব ঘোষ

    মুচলেকায় মুক্ত সাংবাদিক রাজীব ঘোষ

    হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান