ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর উদ্যোগ

ঘরোয়া ক্রিকেটে চারটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বিসিবি। এসবের মাধ্যমে খেলোয়াড়রা আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর দাবি জানালে বিসিবি ম্যাচ ফি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
মঙ্গলবার বিসিবি প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবালের সঙ্গে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভায় চারটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টের জন্য বিসিবি থেকে প্রতি ক্রিকেটারের জন্য ৩০ লাখ টাকা করে পারিশ্রমিক দাবি করেছে কোয়াব। এত বড় অঙ্কে রাজি না হলেও বিসিবি কোনো একটি উপায় বের করবে যেন বেশিসংখ্যক ক্রিকেটার উপকৃত হয়। চারটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ও চার দিনের ম্যাচ। বাকি দুটি হলো এনসিএল (জাতীয় ক্রিকেট লিগ) টি-টোয়েন্টি ও চার দিনের ম্যাচ। এ টুর্নামেন্টগুলোই এখন ক্রিকেটারদের সম্বল।
বিপিএল হচ্ছে না বলেই আয় উপার্জন নিয়ে শঙ্কায় ক্রিকেটাররা। বিপিএল থেকে বেশি আয় হয় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। তাদের মতো না হলেও দেশের প্রথম সারির অন্যান্য ক্রিকেটারদেরও আয়ের বড় উৎস ছিল এ টুর্নামেন্ট। এই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার উপায় নিয়েই কাল দ্বিপক্ষীয় সভা হয়েছে। সভা শেষে ক্রিকেটার সাইফ হাসান বলেছেন, ‘বিপিএল না হওয়ায় আমাদের বড় ক্ষতি হচ্ছে। তবে বিসিবি আমাদের জন্য খুব ভালো একটা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেছে। বিপিএলের খেলোয়াড়দের বাইরেও যারা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে, তারা সবাই উপকৃত হবে।’ সেটা হচ্ছে, বিসিবি আয়োজিত টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে তারা।
বিপিএলের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে কোনো বিকল্প টুর্নামেন্ট হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত করেছেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। তার নতুন ব্যবস্থায় বৃহৎ পরিসরে ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন বলে বিশ্বাস মিঠুনের, ‘আমরা শুধু ৫০-৭০ জন খেলোয়াড় নিয়ে চিন্তা করা হয়নি। কীভাবে ১৫০-২০০ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে উপকৃত হতে পারে এবং এটি যেন টেকসই হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বছরের সাময়িক সুবিধার কথা চিন্তা না করে আমরা ভবিষ্যতের কথা ভেবেছি, যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়রা আরও বেশি উপকৃত হতে পারে।’







