গলফের শিরোপা জিতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কটাক্ষ ট্রাম্পের

গলফে ৪৩তম ট্রফি জিতেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ফুটবল বিশ্বকাপে সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এক ফোনে স্থগিত হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা। বিশ্বকাপ শেষে এবার গলফে মজেছেন ট্রাম্প।
নিজের নিউ জার্সি গলফ কোর্সে রবিবার দুটি চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জয়ের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। বেডমিনস্টারের ‘ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স’-এ নিজের জয়ের শটের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ট্রাম্প। তাকে গ্রিনের দিকে একটি অ্যাপ্রোচ শট নিতে দেখা যায়। শট খেলার আগে তিনি দু’বার সুইংও নেন। সেই ভিডিও পোস্ট করে ট্রাম্পের দাবি, এ বছর ‘সুপার সিনিয়র’ এবং ‘সিনিয়র’ দুই বিভাগেই জয়ী হয়েছেন তিনি।
ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বীদের কটাক্ষ করে লেখেন, ‘আমি ৭০ স্কোর করে জিতেছি। অন্য প্রতিযোগীদের মতো আমি অনুশীলনের জন্য খুব একটা সময় পাই না, কারণ আমাকে অনেক দিকে খেয়াল রাখতে হয়। তবু জিততে পেরে আমি সম্মানিত। এটাকে বলে প্রতিভা— যা আমার আছে, কিন্তু ওদের নেই!’
নিজের মালিকানাধীন বিভিন্ন গলফ কোর্সে সব মিলিয়ে ৪৩টি শিরোপা জয়ের দাবি করেছেন ট্রাম্প। যদিও তার বিপক্ষে গলফে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে অনেকবার।
বেডমিনস্টারের ‘সিনিয়র ম্যানস ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ’-এ ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীরা অংশ নেন, আর ‘সুপার সিনিয়র’ ক্যাটাগরিটা ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য। বেডমিনস্টারের পিজিএ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ২০২৩ সালেও এই দুটি খেতাবই জিতেছিলেন, পাশাপাশি ২০২৪ সালেও সিনিয়র খেতাবটি জেতেন। সবমিলিয়ে গলফে তার শিরোপা এখন ৪৩টি।
২০১৬ সালে ট্রাম্পের বিপক্ষে গলফে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছিলেন বিখ্যাত অভিনেতা স্যামুয়েল এল জ্যাকসন। ক্রীড়া লেখক রিক রাইলি ট্রাম্পের গলফে নানা ঘটনা নিয়ে ‘কমান্ডার ইন চিট’ নামে একটি বই লিখেছেন। নিজের বইয়ে রাইলি লিখেছেন, ‘উইংড ফুট গলফ ক্লাবে ট্রাম্প যখন সদস্য ছিলেন, তখন ক্যাডিরা তাকে এত বেশি বল লাথি মেরে ফেয়ারওয়েতে ফেরত পাঠাতে দেখত যে তারা ট্রাম্পের নামই দিয়ে দিয়েছিল পেলে।’
এ ছাড়া স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্পের নিজের কোর্সে নেওয়া একটি ভিডিও ঘিরেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, তার ক্যাডি খুব কৌশলে বলটি গর্তের কাছে ফেলে দিচ্ছেন, আর ট্রাম্প এসে সেই বল থেকেই শট খেলছেন। তবে অনিয়মের কথা সবসময় অস্বীকার করে এসেছেন ট্রাম্প।







