কোনো ট্রফি না জিতেই রিয়ালের রেকর্ড আয়

সংগৃহীত ছবি
গত মৌসুমে মাঠের পারফরম্যান্সে হতাশ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। স্প্যানিশ জায়ান্টরা লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, কোপা দেল রে ও অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয়েছিলো। ফলে দীর্ঘদিন পর ট্রফিশূন্য মৌসুম কাটাতে হয়েছে ক্লাবটিকে। তবে এই ব্যর্থতার পরও ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয় করেছে রিয়াল।
২০২৫-২৬ মৌসুমে খেলোয়াড় বিক্রির আয় বাদ দিয়ে ক্লাবটির মোট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরো, যা বিশ্বের কোনো ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথমবারের মতো ১.২ বিলিয়ন ইউরো অতিক্রম করার রেকর্ড। ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। গত মৌসুমের তুলনায় রিয়ালের আয় বেড়েছে ৩.১ শতাংশ।
ক্লাবের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রবৃদ্ধির মূল শক্তি ছিল নিজস্ব বাণিজ্যিক কার্যক্রম। সান্তিয়াগো বের্নাব্যু স্টেডিয়াম থেকে আয় বেড়েছে ১১ শতাংশ আর নতুন স্পন্সর যুক্ত হওয়া ও বড় স্পন্সরশিপ চুক্তি নবায়নের কারণে বিপণন খাতের আয় বেড়েছে ৬ শতাংশ।
গত সাত বছরে রিয়ালের মোট আয় বেড়েছে ৬১ শতাংশ। একই সময়ে স্টেডিয়াম থেকে আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে ক্লাবটির অবচয় ও ঋণের সুদ-পূর্ব পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮৭.৪ মিলিয়ন ইউরো যা আগের মৌসুমের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি। কর পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২৬.৩ মিলিয়ন ইউরো। এর মাধ্যমে টানা ২৬তম মৌসুম লাভের ধারাবাহিকতা বজায় রাখল রিয়াল।
বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের মোট নিট সম্পদের পরিমাণ ৬২৪ মিলিয়ন ইউরো। ক্লাবটির হাতে নগদ রয়েছে ৮৩ মিলিয়ন ইউরো এবং স্টেডিয়াম-সংক্রান্ত ঋণ বাদ দিলে নিট ঋণের পরিমাণ মাত্র ৯ মিলিয়ন ইউরো। এছাড়া প্রয়োজন হলে ব্যবহারের জন্য ৪৭৫ মিলিয়ন ইউরো সমপরিমাণ ঋণসুবিধাও রয়েছে।
ক্লাবটির দাবি, শক্তিশালী এই আর্থিক ভিত্তিই তাদের খেলোয়াড় কেনাবেচার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করছে। চলতি গ্রীষ্মে এরই মধ্যে চারজন নতুন খেলোয়াড়কে দলে ভিড়িয়েছে রিয়াল আর ইয়ান দিওমান্দের যোগ দেওয়াও সময়ের অপেক্ষা বলে জানিয়েছে ক্লাব সংশ্লিষ্ট সূত্র।




