বিশ্বকাপ ফাইনালের ধারাভাষ্যে থাকছেন যারা

ফাইনালের ধারাভাষ্যে থাকছেন বিবিসির অ্যালান শিয়েরার এবং আইটিভির রয় কিন।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। রবিবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক এখন টিভির পর্দার সামনে। তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি লড়াইটা যেন ধারাভাষ্য কক্ষ আর বিশ্লেষকদের মধ্যেও। ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নেটওয়ার্ক—বিসিবি ও আইটিভি এবারের আসরেও তাদের সেরা তারকাদের নিয়ে হাজির হয়েছে।
ফাইনালে মেসি গোল করবেই
১৯ জুলাই ২০২৬
এই প্রথম শতাব্দীর শুরু থেকে গ্যারি লিনেকারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের বড় আসর পরিচালনা করছে বিবিসি। লিনেকারের অনুপস্থিতিতে এবারের আসরে বিবিসির মূল উপস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন কেলি কেটস, মার্ক চ্যাপম্যান এবং গ্যাবি লোগান। তাদের সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে আছেন আর্সেনালের সাবেক নারী তারকা অ্যালেক্স স্কট। বিশ্লেষকদের তালিকায় বিসিবি ধরে রেখেছে তাদের পুরোনো ধারার তারকাদের—অ্যালান শিয়েরার, ওয়েন রুনি এবং মিকা রিচার্ডস। এছাড়া জো হার্ট, স্টেফ হটন ও অলিভিয়ের জিরুর মতো তারকারা যোগ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক হিসেবে। মাঠের ধারাভাষ্যে থাকবেন গায় মোব্রি, স্টিভ উইলসন ও জোনাথন পিয়ার্সের মতো পরিচিত কণ্ঠ।
আইটিভি তাদের সম্প্রচারে এবারও নিয়ে এসেছে তারকাদের মেলা। প্রধান উপস্থাপক হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো কাজ করছেন মার্ক পৌগাচ্চ। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লরা উডস ও সেমরা হান্টার। বিশ্লেষক হিসেবে আইটিভির মূল আকর্ষণ গ্যারি নেভিল ও রয় কিন। তাদের পাশাপাশি ইয়ান রাইট, প্যাট্রিক ভিয়েরা এবং কারেন কার্নির মতো তারকারা থাকছেন স্টুডিওতে। নতুন চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নারী দলের কোচ এমা হেইস এবং ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী হুয়ান মাতা। ধারাভাষ্যে থাকছেন স্যাম ম্যাটারফেস, জন চ্যাম্পিয়ন ও অ্যালি ম্যাককয়িস্টের মতো অভিজ্ঞরা।
রবিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হতে যাওয়া ফাইনালে থাকছে বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। এবারের ফাইনালে দেখা যাবে সুপার বোল স্টাইলের এক জমকালো হাফ-টাইম শো। যেখানে পারফর্ম করবেন শাকিরা, ম্যাডোনা, বিটিএস এবং জাস্টিন বিবারের মতো বিশ্বতারকারা। এতদিন শোনা যাচ্ছিল বিবিসি ও আইটিভি এই শো সম্প্রচার করবে না, তবে শেষ মুহূর্তে দর্শকদের চাপে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই দুই নেটওয়ার্কের লড়াই যে ফুটবলের উত্তাপকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
-গোল ডট কম






