এমবাপ্পে
ফাইনালে মেসি গোল করবেই

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন এখন কিলিয়ান এমবাপ্পের দখলে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যাওয়া তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে লিওনেল মেসিকে টপকে বিশ্বকাপের ২২ গোলের মালিক হয়েছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। কিন্তু ব্যক্তিগত এই রেকর্ড কিংবা ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে ফাইনালের মঞ্চে খেলাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। এমনকি রবিবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল নিয়ে এক বিশেষ ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন এমবাপ্পে।
ফাইনাল ম্যাচে লিওনেল মেসির পারফরম্যান্স কেমন হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে এমবাপ্পে কোনো রাখঢাক না করেই বলেন, ‘লিও (মেসি) সবসময় গোল করে। আগামীকালের ফাইনালেও সে নিশ্চিতভাবেই গোল পাবে।’ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতা বা সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াই নিয়ে এমবাপ্পে বরাবরই নির্লিপ্ত। তার মতে, মেসি এমন একজন খেলোয়াড় যিনি যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন এবং ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে তার জ্বলে ওঠার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬-৪ ব্যবধানে হারের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে বেশ কিছুটা ভারাক্রান্ত ছিলেন এমবাপ্পে। ব্যক্তিগতভাবে ২২ গোল করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েও খুশি নন তিনি। এমবাপ্পের ভাষায়, ‘সত্যি বলতে, সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার চেয়ে ফাইনালে খেলতে পারাকে আমি বেশি প্রাধান্য দিতাম। এই রেকর্ড হয়তো আমার অবসর নেওয়ার পর একটি চমৎকার স্মৃতি হয়ে থাকবে, তবে আজ এই মুহূর্তে এটি আমার কাছে মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়।’
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল ফ্রান্স। বিশেষ করে প্রথমার্ধে চার গোলে পিছিয়ে পড়াটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এমবাপ্পে। তিনি স্বীকার করেন, ‘প্রথমার্ধের খেলা সমর্থকদের মনে কষ্ট দিয়েছে, আমরা দেশের জার্সির মর্যাদা রাখতে পারিনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ফিরে এসেছিলাম, যা প্রমাণ করে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়তে জানি।’
কোচ দিদিয়েল দেশমের বিদায়েও শোকাহত এমবাপ্পে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম কোচের জন্য ভালো কিছু করতে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রথমার্ধের খেলাটা পুরো টুর্নামেন্টের অর্জনকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। তবে এই একটি ম্যাচ কোচের কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিতিকে কখনোই ছোট করতে পারবে না।’






