সেমিতে অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনা

সংগৃহীত ছবি
সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনার সঙ্গী হয়ে গেছে বিশ্বকাপ ইতিহাস। সেই ইতিহাস বলছে, এখান থেকে কখনো তাদের পা হড়কায় না। এর আগে পাঁচবার সেমিফাইনাল খেলে পাঁচবারই জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা।
এ নিয়ে ষষ্ঠবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলবে তিনবারের বিশ্বজয়ীরা। রবিবার সকালে অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় সেমিফাইনালের মঞ্চে। সেখানে তারা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বুধবার রাতে। তবে ইংলিশদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানে মেসিরা খানিকটা পিছিয়ে আছেন। বিশ্বকাপে পাঁচবার মুখোমুখিতে ইংল্যান্ড জিতেছে তিনবার আর আর্জেন্টিনা দুবার।
১৯৬২ সালে গ্রুপে ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। চার বছর বাদে ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পথে কোয়ার্টার ফাইনালে আবার ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায়। সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা। তারা জিতেছে ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ জয়ের পথে কোয়ার্টার ফাইনালে, ২-১ গোলে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হলেও টাইব্রেকারে জেতে আর্জেন্টিনা।
এবার কেইন-বেলিংহামের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনা ষষ্ঠবারের মতো মুখোমুখি হওয়ার আগেই ইতিহাস প্রেরণা জোগাচ্ছে আলবিসেলেস্তেদের। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ৬-১ গোলে হারিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রকে। ’৭৮ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল ফরম্যাট ছিল না। ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনা শেষ চারের ম্যাচে বেলজিয়ামকে হারায় ২-০ গোলে। ১৯৯০ সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩-এ হারায় ইতালিকে। ২০১৪ সালের সেমিফাইনালেও টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে হারায় ৪-২ এ।
সর্বশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছিল ক্রোয়েশিয়ার। সেই ম্যাচে লিওনেল মেসিরা জেতেন ৩-০ গোলে। মেসি একটি আর আলভারেস করেন জোড়া গোল। মানে, আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে পৌঁছানো মানেই ফাইনাল খেলা!




