বিশ্বকাপের মাঠে রাজপরিবারের লড়াই

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপে মাঠের পাশাপাশি লড়াইটা চলে গ্যালারিতেও। সেখানে শুধু দুই দলের দর্শকই নন, উপস্থিত থাকেন রাজ পরিবারের সদস্যরাও! বিশ্বকাপের এই আসরেও গ্যালারিতে দেখা গেছে বিভিন্ন দেশের রাজ পরিবারের সদস্যদের।
ইংল্যান্ড, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, জর্ডান এবং জাপান; দেশগুলোর সাধারণ দর্শকের সঙ্গে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করতে উপস্থিত ছিলেন রাজপরিবারের সদস্যরাও। রাজা, রানী ও যুবরাজ; অনেকেই ভিআইপি গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে উৎসাহ জুগিয়ে গেছেন নিজ দেশকে।
কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড-নরওয়ে। গ্যালারিতে এদিনও দেখা যাবে দুই দেশের রাজপরিবারকে। মাঠে থাকতে পারেন ইংল্যান্ডের প্রিন্স উইলিয়ামস। শুধু ফুটবল নয়, বিভিন্ন খেলার সময় নিজ দেশকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে উপস্থিত হন তিনি।
নরওয়ে রাজপরিবার আগে ফুটবল মাঠে তেমন আসতেন না। তবে দল বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার পর থেকেই নিয়মিত আরলিং হলান্ডদের সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন তারা।
ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ম্যাচের কথাই ধরুন। ঐতিহাসিক এক জয়ের পর নরওয়ের প্রিন্সেস ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা এবং তার ভাই প্রিন্স সাভেরে ম্যাগনাস খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের অভিবাদন জানাতে ড্রেসিংরুমে যান। হাল্যান্ডকে জড়িয়ে ধরেছে অভিনন্দন জাজান আলেকজান্দ্রা। মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সেই দৃশ্য।
এর আগে নেদারল্যান্ডসে রাজা উইলেম-আলেকজান্ডার এবং রানী মাক্সিমা দলের ম্যাচ দেখতে মাঠে এসেছেন নিয়মিতই। বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জয়ের পর দলকে অভিনন্দন জানাতে ফোন করেছিলেন।
জর্ডানের ক্রাউন প্রিন্স হুসেন এবং প্রিন্সেস রাজওয়া দেশের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ অভিষেকে দলের পাশে ছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেওয়া জাপানও বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে প্রিন্সেস তাকামাদোর উপস্থিতির মাধ্যমে ইম্পেরিয়াল হাউসের ঐতিহ্য ধরে রেখেছিল।




