কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে স্কালোনির স্বজন হারানোর বেদনা

কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল স্কালোনি।
সামনে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর মাঠে নামবে দল। কিন্তু আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির মন পড়ে আছে নিজ দেশে। স্কালোনির শহর পুজাতোর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন তার এক স্বজন। শেষ বত্রিশে কেপ ভার্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে তাই শুরুতেই শোক প্রকাশ করলেন স্কালোনি।
বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৪টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াইয়ে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে একাদশ জানিয়ে দিলেও এবার আর সেই ভুল করেননি স্কালোনি। প্রতিপক্ষকে সমীহ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নকআউট পর্বে পা হড়কালেই বিদায়। তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। গ্রুপ পর্বে দারুণ ফুটবল খেলে নকআউটে আসা কেপ ভার্দেকে নিয়ে বেশ সতর্ক স্কালোনি বলেন, ‘আমরা ভালো অবস্থায় আছি। সবার মতোই আমাদের মধ্যেও রোমাঞ্চ কাজ করছে। তবে প্রতিপক্ষ দলটিকে আমাদের সম্মান করতে হবে, কারণ তারা খুব ভালো ফুটবল খেলে এখানে এসেছে। নকআউটে এখন ভুলের সুযোগ নেই। যে হারবে, তাকেই বিদায় নিতে হবে। আমরা সেটা মাথায় রেখেই মাঠে নামব। তবে দল হিসেবে আমরা এখন দারুণ ছন্দে আছি।’
আফ্রিকান দলটিকে নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ আরও যোগ করেন, ‘ওরা মোটেও ভাগ্যের জোরে এখানে আসেনি। আমরা আগে থেকেই সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে ওদের খেলা বিশ্লেষণ করছিলাম। তাই ওদের এই পারফরম্যান্স আমাদের মোটেও অবাক করেনি। আমরা ওদের যথেষ্ট সমীহ করব।’ মায়ামির ৬৪ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামের গ্যালারির সিংহভাগই যে আকাশি-সাদা জার্সিতে ভরে উঠবে, তা নিশ্চিত। গ্যালারির এই উন্মাদনা খেলোয়াড়দের বাড়তি প্রেরণা দেবে বলে মনে করেন কোচ, ‘ছেলেরা সবাই মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছে। তারা যে স্বপ্ন দেখেছে, এখন সেটা বাস্তবায়নের পালা। গ্যালারির এই সমর্থন আমাদের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা।’
তবে মিয়ামির কড়া রোদ এবং গুমোট আবহাওয়া নিয়ে আয়োজকদের সমালোচনা করতে ছাড়েননি স্কালোনি। স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার এই ম্যাচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্তগুলো কিছুটা অদ্ভুত। আমরা ডালাসে যখন ছাদঢাকা স্টেডিয়ামে খেললাম, তখন ম্যাচ ছিল দুপুরে। আর মায়ামির এই গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে ম্যাচ দেওয়া হয়েছে বিকেলে, যা অনায়াসে রাতে দেওয়া যেত। আমি ফুটবলের স্বার্থেই বলছি—তীব্র গরমে ম্যাচের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হতে পারে।’






