গোল বাড়ানোর সুযোগ কি নেবেন মেসি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আর্জেন্টিনা গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে জর্ডানের সঙ্গে। ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে পরের ধাপে চলে যাওয়ায় আর্জেন্টিনা বেশ কিছু খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিতে পারে এবং এটি দেওয়ার কিছু যৌক্তিক কারণও রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচ হাই ইনটেন্স ম্যাচ খেলতে হয়েছে তাদের। ম্যাচের ইনটেনসিটি এবং প্লেয়ারদের ডিসটেন্স কাভারিং— এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে টেকনিক্যাল স্টাফ ও মেডিকেল স্টাফরা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেওয়াটাই যুক্তিসংগত মনে করেছেন।
শক্তির দিক থেকেও জর্ডানের সঙ্গে আর্জেন্টিনার যোজন যোজন দূরত্ব। আর্জেন্টিনা যদি তাদের সাবস্টিটিউট বেঞ্চের সব খেলোয়াড়কে খেলায়, তাদের পক্ষেও খুব সহজেই জর্ডানকে হারানো সম্ভব। আমার দেখা এশিয়ান দলগুলোর মধ্যে এবার বিশ্বকাপে খেলছে, জর্ডান সবচেয়ে দুর্বল।
লিওনেল মেসির শুরুর একাদশে না থাকার কথা শুনেছি। তার একটা দারুণ সুযোগ আছে জর্ডানের বিপক্ষে গোলের খাতায় নিজের সংখ্যাটা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ড। এরই মধ্যে ওসমান দেম্বেলেও চার গোল করেছেন। আমি মনে করি, আর্জেন্টিনার সমর্থকরা অবশ্যই চাইবেন যাতে মেসি সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারেন এই বিশ্বকাপে।
তবে আর্জেন্টিনার টেকনিক্যাল স্টাফ, কোচিং স্টাফ এবং মেডিকেল স্টাফরাই যেটি ভালো হয়, সে সিদ্ধান্ত নেবেন। এরই মধ্যে আমরা দেখেছি বিভিন্ন দল তাদের শুরুর একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সেরাদের বিশ্রাম দিয়ে। দলের ট্রাভেলিং হ্যাসেলও মাথায় রাখতে হচ্ছে। আর্জেন্টিনা রাউন্ড অব থার্টি টুতে মুখোমুখি হবে কেপ ভার্দের। সবকিছু বিবেচনা করে আর্জেন্টিনা এখন একটা বেশ কমফোর্টেবল পজিশনেই রয়েছে।
জর্ডানের সঙ্গে ম্যাচটা তাদের জন্য একেবারে কঠিন হওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। মেসির দিক থেকে দেখলে গোলসংখ্যা বাড়ানোর এটি তার জন্য চমৎকার সুযোগ। এখন দেখার বিষয় মেসি কখন আসলে মাঠে আসেন। আদৌ সুযোগটা নেবেন কি না, সেটাও দেখার।




