একপেশে ফাইনাল জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন

সংগৃহীত ছবি
এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সব প্রতিরোধ ভেঙে যায় একসময়। ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে স্পেনের আরেকটি সোনালি প্রজন্ম সোনালি ট্রফি হাতে জেগে ওঠে আমেরিকার বুকে।
আর্জেন্টিনা প্রথমার্ধে কখনো আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেনি। তাদের মূল পরিকল্পনাই ছিল স্পেনের ছন্দ নষ্ট করা, সেই কৌশলে তারা সফল। স্পেন বল দখলে রাখলেও অ্যাটাকিং থার্ডে ছিল না সেরকম সৃজনশীলতা। শুরুতে একটা ইয়ামালের একটি সুযোগ ছাড়া তেমন কিছুই ছিল না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মেসি প্রথমার্ধে শান্ত ছিলেন অনেকখানি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজমের পর খোলস ছেড়ে বের হয়েছিলেন। কিন্তু কাল রাতে ফাইনালে আর জাদুকরী পায়ে বের হওয়া হলো না তার। বিরতির পর ম্যাচের চিত্র যেন আরও একপেশে হয়ে ওঠে।
স্পেন একের পর এক আক্রমণের ঢেউ তুলে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। বল যেন বারবার আছড়ে পড়ছিল আকাশি প্রাচীরে। স্পেনের এমন দাপটের মুখে সত্যিকারের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছেলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। পুরো টুর্নামেন্টে যতটা না আলো ছড়িয়েছেন, তার চেয়েও বেশি উজ্জ্বল এই ফাইনালে। অদম্য প্রহরী হয়ে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন আর্জেন্টিনাকে। নির্ধারিত সময়ের ইনজুরি টাইমে এনসো ফের্নান্দেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ম্যাচ আরও কঠিন হয়ে যায় আর্জেন্টিনার জন্য। ৯৩ মিনিটে এমিলিয়ানো দারুণ সেভ করেন নিকো উইলিয়ামসের হেড। এরপর ৯৮ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ফ্রি-কিকে অক্ষত রাখেন আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট।
একসময় সব প্রতিরোধ ভেঙে যায়। ১০৬ মিনিটে পেদ্রো পোরোর ক্রসে নিকো উইলিয়ামসের হেড পোস্টের সামনে পড়ে, তারপর ফেরান তোরেসের ভলি আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে গেলে স্পেন শিরোপার রঙে রাঙিয়ে যায়। ১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতল স্পেন।




