দুর্দান্ত খেলল তুরস্ক, এগিয়ে রইল অস্ট্রেলিয়া

প্রথমার্ধে তুরস্কের জালে বল পাঠান নেস্টরি ইরানকুনদা।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বল পজিশন ও আক্রমণে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখাল তুরস্ক। ম্যাচের প্রথমার্ধের পুরোটা সময় পাসের পসরা সাজিয়ে আর বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ভিনসেঞ্চো মন্তেল্লার দল যখন মাঠ মাতাচ্ছিল, ঠিক তখনই প্রথমার্ধের কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিল অস্ট্রেলিয়া। নেস্টরি ইরানকুনদার গোলে প্রথমার্ধ শেষে তুরস্কের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে সকারুরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তুর্কি আরদা গুলের এবং ইন্টার মিলান কিংবদন্তি হাকান চালহানোগ্লুর পা ধরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তুরস্ক। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের ডি-বক্সে চেপে ধরে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা। কিন্তু সকারুজদের নতুন কোচ টনি পপোভিকের সাজানো রক্ষণ দেয়াল ভাঙা সম্ভব হচ্ছিল না।
খেলার ধারার বিপরীতে ২৭ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। তুরস্কের একটি আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়ে প্রতিআক্রমণে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। মাঝমাঠ থেকে পল ওকন-ইংসলারের নিখুঁত ও চমৎকার এক পাসে বল পান উইঙ্গার ইরানকুনদা। বাম প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে, রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বোকা বানিয়ে দারুণ ভারসাম্য বজায় রেখে কাছের পোস্টে শট নেন তিনি। তুরস্কের গোলরক্ষক চাকিরকে পরাস্ত করে বল জড়ায় জালে (১-০)।
গোল খেয়ে মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। ম্যাচের ৩০ মিনিটে বারদাকচির এক বুলেট গতির দূরপাল্লার শট পোস্ট কাঁপানোর ঠিক আগমুহূর্তে আঙুল ছুঁইয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান অস্ট্রেলিয়ার তরুণ গোলরক্ষক বিচ। প্রথমার্ধের শেষদিকে ওকন-ইংসলারের ভুলে আরও একটি গোল করার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল তুরস্ক, কিন্তু সকারুদের রক্ষণভাগের কল্যাণে সেই সুযোগ নষ্ট হয়।
পুরো প্রথমার্ধে তুরস্কের বল মুভমেন্ট ছিল ধীরগতির, যা পপোভিকের রক্ষণাত্মক কৌশলের কাছে বারবার মার খেয়েছে। বিপরীতে সুযোগসন্ধানী সকারুরা কাজের কাজটি ঠিকই করে নিয়েছে। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের এই লিড ধরে রেখে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার স্বপ্ন দেখছে অস্ট্রেলিয়া।



