সুইস কোচ
ম্যাচটি আমাদের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেওয়ার পর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন যেন ক্ষোভে ফুঁসছেন। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী সেই বিতর্কিত লাল কার্ডের ঘটনায় তিনি সরাসরি দায়ী করেছেন ফিফার নতুন নিয়ম এবং ভিএআর ইন্টারভেনশনকে। তার মতে, রেফারির ওই একটি সিদ্ধান্তই সুইজারল্যান্ডের পুরো খেলার ছন্দ নষ্ট করে দিয়েছে।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কানসাস সিটির স্টেডিয়ামে মুরাত ইয়াকিন বলেন, ‘এভাবে আমাদের হাত থেকে ম্যাচটি কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যা ঘটেছে, রেফারি যা করেছেন—তা পুরোপুরি ধারণার বাইরে। এই নিয়ম পুরো ম্যাচটিই ধ্বংস করে দিয়েছে। ওই হলুদ কার্ড দেখানোর কোনো প্রয়োজনই ছিল না। খেলা যেভাবে চলছিল সেভাবেই চালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।’ দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কবলে পড়া ব্রিল এমবোলোর অবস্থা নিয়ে ইয়াকিন জানান, ‘ড্রেসিংরুমে ফেরার পর এমবোলো একদম বিধ্বস্ত ছিল। ও দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ খেলোয়াড়। ও খুবই ভেঙে পড়েছে। কিন্তু আমি ওকে দোষ দেব না। রেফারির ওই ভুলটি আমাদের সবাইকে চরমভাবে আঘাত করেছে।’
১০ জন নিয়ে খেলা সত্ত্বেও সুইজারল্যান্ড যে লড়াই করেছে, তাতে গর্বিত ইয়াকিন। তিনি বলেন, ‘একজন কম নিয়ে খেলার পরও আমরা দুর্দান্ত লড়াই করেছি, রক্ষণভাগ সামলেছি এবং খেলা নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলাম। আজ আমরাই ডমিনেট করছিলাম। আরেকটু হলে আমরাই জিততে পারতাম।’
আর্জেন্টিনার দিকে কোনো বাড়তি ঝুঁকির বা পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত অবশ্য দেননি সুইস কোচ। তবে এই নতুন নিয়ম নিয়ে তার আপত্তিটা ছিল স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘আমি এই নিয়মটি সম্পর্কে আগে জানতাম না। এ ধরনের নিয়ম ফুটবল খেলার সৌন্দর্যকেই নষ্ট করে দিচ্ছে! আমি মেসি ও আর্জেন্টিনা দলকে শুভকামনা জানাই। শেষ চারের যেকোনো দলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা রাখে।’





