ভিএআর বিভ্রান্তির কারণে পেনাল্টি মিস করেছিলেন এমবাপ্পে

সংগৃহীত ছবি
মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এমবাপ্পের মিস করা পেনাল্টি। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার দাবি তিন মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলা ভিএআর পর্যালোচনা তার প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটায়। শুরুতে পেনাল্টি দেওয়া হয়েছে জানানোর পর রেফারি তাকে জানান, সিদ্ধান্তটি এখনও পর্যালোচনাধীন। ফলে কিক নেওয়ার আগে তাকে বারবার প্রস্তুতি নিতে হয়।
রেফারিং নিয়ে সরাসরি দোষারোপ না করলেও এমবাপ্পে স্বীকার করেন এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তার মনোযোগে প্রভাব ফেলেছিল। ম্যাচ শেষে ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ভালোভাবে শট নিতে পারিনি। এরপর পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়, কারণ একটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়। রেফারি আমাকে বলেন পেনাল্টি হয়েছে। কিন্তু পরে আবার জানান ভিএআর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।‘
এত কিছুর পরও মিসের দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছেন এমবাপ্পে, ‘কিন্তু এটাই বাস্তবতা যে আমি নিজেকে বিভ্রান্ত হতে দিয়েছি। পেনাল্টিতে মনোযোগ ধরে রাখার অনেক পরিস্থিতি নিয়েই ভেবেছি, কিন্তু এই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিটার কথা মাথায় আসেনি। এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। কারণ রেফারি আপনাকে বলতে পারেন পেনাল্টি আছে, কিন্তু দুই মিনিট পর আবার বলতে পারেন নেই। কতক্ষণ এভাবে চলেছে জানি না। এটাই এখনকার ভিএআর যুগের ফুটবল। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।'
৭৭তম মিনিটে বদলি হয়ে ওঠা এমবাপ্পে চোট নিয়ে শঙ্কাও উড়িয়ে দিয়েছেন। ম্যাচ জয়ের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে অংশ নেওয়া এমবাপ্পের কথাতেই স্পষ্ট চোটটি গুরুতর নয়, ‘আমি ঠিক আছি। গোড়ালিতে একটা আঘাত পেয়েছি, তবে সব ঠিক আছে। শেষ ১৫ মিনিট খেলার জন্য মাতেতা আমার চেয়ে বেশি সক্ষম ছিল।‘
এখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দিকে মনোযোগ ফ্রান্সের। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন অথবা বেলজিয়াম। এমবাপ্পের গোড়ালির চোট নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, তাই আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালের পথে অধিনায়ককে আক্রমণভাগের নেতৃত্বে পেতে চাইবে ফরাসিরা।




