বিশ্বকাপ
রানার্সআপ দলের সংবর্ধনায় আর্জেন্টিনায় সাধারণ ছুটি

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে লিওনেল মেসিদের। তবে পরাজয়ের বেদনা ছাপিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইর একটি ঘোষণা। ফাইনালে হেরে যাওয়ার পরও জাতীয় দল ও কোচিং স্টাফদের সংবর্ধনা জানাতে দেশে একটি বিশেষ সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে হারের পর অপ্রত্যাশিত এই পদক্ষেপ নিয়েছে আর্জেন্টিনার সরকার। ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা হাতছাড়া হলেও টুর্নামেন্ট জুড়ে আলবিসেলেস্তেদের লড়াই ও সামগ্রিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, উৎসবের জন্য কোন দিনটি উপযুক্ত হবে, তা দল বা কোচিং স্টাফরা নিজেদের ইচ্ছেমতো বেছে নেবেন এবং সেই দিনকেই জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
কাঁদতে হলো তিনজনকেই
২০ জুলাই ২০২৬
প্রেসিডেন্ট মিলেই তার পোস্টে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের অর্জিত সাফল্য ও লড়াইয়ের উদ্যাপন নিয়ে মানুষের মধ্যে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি জানাচ্ছি যে, খেলোয়াড় ও টেকনিক্যাল স্টাফরা যেদিনটি উদযাপনের জন্য নির্ধারণ করবেন, সেদিনই জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হবে। খেলোয়াড়দের অনেক ধন্যবাদ। তোমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছ। আর্জেন্টিনা সবসময় শীর্ষে।’
কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে প্রেসিডেন্ট নিজে সরাসরি ফাইনাল ম্যাচটি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে উপভোগ করা থেকে বিরত ছিলেন। এদিকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন না হলেও জাতীয় ছুটির ঘোষণা দেওয়ায় আর্জেন্টিনার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, শিরোপা জিততে না পারলে এমন উদযাপনের কোনো মানে নেই। আবার কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নিজ নিজ ক্লাবে ফিরে না গিয়ে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খেলোয়াড়রা দ্বিধায় পড়তে পারেন।





