ভিনিসিয়ুস জুনিয়র
কোচের সিদ্ধান্তে গিমারেস পেনাল্টি মেরেছে

সংগৃহীত ছবি
পেনাল্টি কিকটা ব্রুনো গিমারেস না নিয়ে ভিনিসিয়ুস নিলে কী হতো? ব্রাজিল হয়তো শুরুতে গোল পেতো, তখন ম্যাচের গতি প্রকৃতি বদলে যেতো। এমন নানা প্রশ্ন আক্ষেপ হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে সেলেসাও সমর্থকদের মনে।
নরওয়ের বিপক্ষে ১৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যাওয়ার দারুন সুযোগ ছিল ব্রাজিলের। অনেকের ধারনা ছিল, স্পট কিকটি নেবেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু টুর্নামেন্টে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা বল তুলে দেন গিমারেসের হাতে। এটি দেখে অনেকে অবাকও হয়েছিল। তবে গিমারেস ছোট ছোট পদক্ষেপে থেমে শট মেরেও ফাঁকি দিতে পারেননি নরওয়েজিয়ান গোলকিপার নিয়ালান্দকে। তিনিও শেষপর্যন্ত শুটারকে চোখে চোখে রেখে সঠিক দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন কিকটি।
খুব বাজে পেনাল্টি কিকই নিয়েছিলেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার। ৪ গোল করা দলের সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুসই নিতে পারতেন স্পট কিকটি। তবে নেওয়ার উপায় ছিল না। ম্যাচ শেষে ভিনি বলেছেন, ‘আনচেলত্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্রুনো পেনাল্টি নিয়েছে। ম্যাচর আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’ এই ফরোয়ার্ডেরও বিশ্বাস ছিল ব্রুনোর ওপর, ‘ব্রুনো আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি মারে, তাই তাকে পছন্দ করেছিল কোচ।’
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তিও পরে বলেছেন, সেরা পাঁচ স্পট কিকারের মধ্যেও ছিল না ভিনিসিয়ুসের নাম। পরিসংখ্যানও বলছে, রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড ভালো পেনাল্টি শুটার নন। লা লিগায় ১৯টি পেনাল্টি শটে ৬টি মিস করেছেন। ব্রাজিলের জার্সিতে ৩টি শটে গোল মাত্র একটি।
কী দুরবস্থা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন দলের। ভালো পেনাল্টি মারার ফুটবলারও নেই !



