মাদ্রিদের মসনদে আরও চার বছর পেরেস

সংগৃহীত ছবি
বিশ বছরে প্রথমবারের মতো নির্বাচন আয়োজন করল রিয়াল মাদ্রিদ। ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে মাদ্রিদের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেস। তিনি পরাজিত করেছেন ৩৭ বছর বয়সী প্রতিদ্বন্দ্বী এনরিকে রিকেলমেকে, যিনি পেয়েছেন মাত্র ৩৫ শতাংশ ভোট।
মোট ৩৩ হাজার ৫৫৫ জন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তবে প্রায় এক হাজার ডাকযোগে পাঠানো ভোটের বৈধতা নিয়ে রিকেলমে আপত্তি তোলেন, যার ভেতর চারশোরও বেশি ভোট শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।
এই বিজয়ের ফলে ২০৩০ পর্যন্ত ক্লাব পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন পেরেস। তার এই জয় হোসে মরিনহোর মাদ্রিদের কোচ হওয়ার পথকে সুগম করে দিয়েছে।
আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মরিনহোকে রিয়াল মাদ্রিদের নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। পর্তুগিজ এই কোচকে আনতে বেনফিকাকে দিতে হবে ১৫ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ফি। এ ছাড়া মঙ্গলবার অন্তত ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে একজন তারকা খেলোয়াড়কে দলে নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন পেরেস। সে খেলোয়াড়কে মাইকেল ওলিসে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডেনজেল ডামফ্রিস ও ইব্রাহিমা কোনাতেকে এরই মধ্যে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে পরাজিত রিকেলমে বলেছিলেন, তিনি জয়ী হলে রাউল গনসালেস ব্লাঙ্কোকে স্পোর্টিং ডিরেক্টর করতেন এবং ইয়ুর্গেন ক্লপকে কোচ হিসেবে আনার চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি আর্লিং হালান্ড ও রদ্রিকে দলে যুক্ত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী ছিলেন।
যদিও পেরেজের জয় নিশ্চিত ছিল বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল, তবু জয়ের ব্যবধান প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়াটা কিছুটা অবাক করেছে বিশ্লেষকদের। পেরেসের অধীনে রিয়াল মাদ্রিদ সাতটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবল ক্লাবের মর্যাদা অর্জন করেছে। এমন একজন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আদৌ কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আসবেন কি না, সেটাই অনিশ্চিত ছিল শুরুতে।




