লামিন ইয়ামাল
বাবাকে বলেছিলাম মেসির সঙ্গে ছবিটি ডিলিট করতে

সংগৃহীত ছবি
লিওনেল মেসির সঙ্গে নিজের ছোটবেলার বিখ্যাত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে তার বাবাকে বলেছিলেন লামিন ইয়ামাল। কারণ আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির সঙ্গে তুলনা পছন্দ করেন না বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা। এমনকি মেসির মতো হতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল জানান, তার বাবা ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার পর তিনি সেটি মুছে ফেলতে বলেছিলেন। নিজের পরিচয় তৈরি করার আগে ছবিটি প্রকাশ না করতেও বাবাকে অনুরোধ করেছিলেন তিনি, ‘কারণ আমি বাবাকে সেটা করতে বলেছিলাম। তিনি একবার ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন এবং আমি তাকে সেটি মুছে ফেলতে বলি। তুলনাটা খুব সহজেই শুরু হয়ে যাচ্ছিল সবাই শুধু সেটি নিয়েই কথা বলত। আমি লামিন হতে চেয়েছিলাম, মেসি হতে চাইনি। আমি শুধু নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যতদূর যেতে পারি সেখানে যেতে চেয়েছিলাম। আমি বাবাকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। আমি যখন নিজের পরিচয়ে লামিন হয়ে উঠব তখন তিনি যা খুশি করতে পারেন।’
কিন্তু পরে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং বার্সেলোনায় ইয়ামালের অভিষেকের পর থেকে এটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
২০০৭ সালে তোলা ছবিটিতে মেসির সঙ্গে দেখা যায় শিশুবয়সী ইয়ামালকে। তখন মেসির বয়স ছিল ২০ বছর আর ইয়ামালের বয়স মাত্র ছয় মাস। বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুতে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটের সময় ছবিটি তোলা হয়েছিল। ছবিতে ইয়ামালকে একটি বাথটাবে দেখা যায়।
ছবিটি পরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিটির আলোকচিত্রী হোয়ান মনফোর্ট চলতি বছরের শুরুতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ‘ছবিটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ফাইনাল যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ায় এটি আরও বেশি আলোচনায় এসেছে। আর মেসি ও ইয়ামালের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়া যেকোনো সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়েও ভালো।’
বিশ্বকাপের আগে মেসিও ইয়ামালের সঙ্গে সেই ছবি নিয়ে কথা বলেছিলেন, ‘ছবিটি অবিশ্বাস্য। সে যখন শিশু ছিল, তখন তার সঙ্গে আমি একটি ছবি তুলেছিলাম। এখন আমরা দুজনই বিশ্বকাপে খেলছি। বিষয়টি সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন মেসি ও ইয়ামাল। সেই ম্যাচে ফেরান তোরেসের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন।



