ইয়ামাল জাদুতে স্পেনের টানা ৪০, জিতেছে ইংল্যান্ডও

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপ জেতার পর স্পেন ঘরের মাঠে প্রথম খেলল মঙ্গলবার। সেভিয়ার র্যামন সানচেজ স্টেডিয়ামে ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরে দর্শকদের সঙ্গে উদযাপন করেন অধিনায়ক রোদ্রি। এরপর উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচটিতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জাদুই দেখালেন লামিন ইয়ামাল।
জোড়ো গোলের পাশাপাশি করলেন একটি অ্যাসিস্টও । তাতে ক্রোয়াটদের ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে টানা ৪০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি গড়ল স্পেন। একটি করে গোল নিকো উইলিয়ামস ও মার্ক পিউবিলের ।
ফল
স্পেন ৪ : ১ ক্রোয়েশিয়া
চেকপ্রজাতন্ত্র ০ : ২ ইংল্যান্ড
স্কটল্যান্ড ০ : ৩ সুইজারল্যান্ড
লুক্মেমবার্গ ০ : ৩ আইসল্যান্ড
নেশনস লিগের অপর ম্যাচে চেকপ্রজাতন্ত্রকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। চেকপ্রজাতন্ত্র ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল ২৫ মিনিটে। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে একটি করে গোল অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইনের। ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে স্পেন। ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৩।
স্পেন সর্বশেষ হেরেছিল ২০২৪ সালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। এরপর টানা ৪০ ম্যাচ তাদের হারাতে পারেনি কেউ। তারা জিতেছে ৩১টি ড্র ৯ ম্যাচে। সেভিয়ায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে প্রায় ৬৪ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৬ শট নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে স্পেন। ক্রোয়েশিয়ার পাঁচ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।
স্পেন এগিয়ে যায় ৭০তম সেকেন্ডেই। মার্ক কুকুরেয়ার সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে পাস দেন অ্যালেক্স বায়েনা। ফের্মিন লোপেস সেটা ছেড়ে দেন ইয়ামালের জন্য। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে প্রথম স্পর্শে বল জালে জড়ান তিনি। ২৮ মিনিটে ইভান পেরিসিচের ক্রসে করা হেডে সমতা ফেরান ডিওন দ্রেনা বেল্লো।
৩১ মিনিটে শর্ট কর্নারের পর ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে স্পেনকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন পিউবিল। ৬৩ মিনিটে পেদ্রির থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে স্পেনকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। এর ৫ মিনিট পরই দর্শকদের করতালিতে মাঠ ছাড়েন ইয়ামাল। ৮৯ মিনিটে উইলিয়ামসের গোলে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপর ম্যাচে ২৫ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় চেকপ্রজাতন্ত্র। অ্যান্ডারসনকে ফাউল করায় পাভেল শুলৎসকে হলুদ কার্ড দেখেন শুরুতে। ভিএআরে সেটা হয়ে যায় লাল কার্ড। ১০ জনের চেকপ্রজাতন্ত্র ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় এরপর।
৪৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে করা হেডে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন গর্ডন। ৬৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন।



