হারের পর বাটলারের অনুপ্রেরণা ‘২০২৪’

সংগৃহীত ছবি
টানা দুই সাফে ভারতকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে গিয়েছিল বাংলাদেশ। রবিবার জয়ের ধারাটা আর থাকেনি। ভারতের গোয়ায় বাংলাদেশ ৩-০ গোলে হেরেছে স্বাগতিকদের কাছে। তাতে ফাইনালে যাওয়ার কাজটা কঠিন হয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের, খেলতে হবে এ গ্রুপ সেরা নেপালের বিপক্ষে।
ভারতের কাছে সাত বছর পর হারের তেতো স্বাদ পাওয়ার কারণ হিসেবে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে না পারাকে দুষেছেন ব্রিটিশ কোচ,‘হারের কোনো অজুহাত নেই। আমরা কেবল একটি ভালো দলের কাছে হেরেছি। আমাদের শুরুর মতো শেষটাও হয়েছে এলোমেলো। ১-০ ব্যবধানে থাকার সময় আমাকে কিছুটা ঝুঁকি নিতে হয়েছিল। কিছু খেলোয়াড় বদল করতে হয়েছিল। আমরা আমাদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স করতে পারিনি। নিশ্চিতভাবেই এর পেছনে কিছু কারণ রয়েছে যা আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে।’
এক হারে সব শেষ হয়ে গেছে, মানছেন না বাটলার। তবে ঘুরে দাঁড়াতে আরও বেশি পেশাদার হতে বলেছেন শিষ্যদের। ২০২৪ সাফের স্মৃতি রোমন্থন করে কোচ বলেন, ‘২০২৪ সালে আমরা বিপজ্জনক ও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে এসেছি এবং কিছু মানুষকে অবাক করে দিয়েছি। আমাদের সেভাবেই খেলতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন,‘ আমাদের আরও বেশি পেশাদার হতে হবে। তবে কিছু খেলোয়াড়ের সেই স্তরে পৌঁছানোর ইচ্ছেই নেই। আপনি কাউকে ওয়ার্ম-আপ করতে বললেন, তারা হেঁটে হেঁটে ওয়ার্ম-আপের জায়গায় যাবে। অথচ আপনি একজন ইংলিশ খেলোয়াড়কে অথবা একজন ভারতীয় খেলোয়াড়কে বলুন, তারা দৌড়ে যাবে। কারণ তারা দ্রুত ফিরে আসতে চায় এবং মাঠে পুনরায় নামতে চায়।’
দুই ম্যাচে বাংলাদেশ পাঁচ গোল হজম করেছে। এতেই দলের ডিফেন্সের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেমিফাইনালের আগে এই সমস্যা সমাধান সহজ নয় মনে করেন বাটলার, ‘এটা রাতারাতি সমাধান করার মতো কোনো বিষয় নয়। এটি এমন কিছু যা নিয়ে আমরা ভাবছি। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা ঠিক সেই ছন্দে থাকতে পারিনি যেভাবে আমি চেয়েছিলাম।’
এ ম্যাচে মনমতো হয়নি অনেক কিছুই। সেমিফাইনালে নেপাল পরীক্ষার আগে তাই বাটলারকে ভাবতে হবে নতুন করে। কোচের ভাবনা আর খেলোয়াড়দের চেষ্টা সফল হলেই সম্ভব আরেকটি ফাইনাল।






