জোড়া গোল করে দলকে বাঁচালেন নেইমার

ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে সান্তোস ও ফ্ল্যামেঙ্গোর মধ্যকার ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল এক চরম নাটকীয়তায়। ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি লিওনার্দো জার্দিমের ফ্ল্যামেঙ্গো। শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত জোড়া গোল করে সান্তোসকে হার থেকে রক্ষা করেন সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এসে পাওয়া এই ড্রয়ে পয়েন্ট হারিয়ে হতাশ কোচ লিওনার্দো জার্দিম।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে ছিল ফ্ল্যামেঙ্গো। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে তারা প্রথমার্ধ শেষ করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরে যায়। বক্সের ভেতর হ্যান্ডবলের সুবাদে ভিএআর চেক করে পেনাল্টি পায় সান্তোস। ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে দীর্ঘতম প্রায় ১০ মিনিটের ওই ভিএআর চেক শেষে মিডফিল্ডার জর্জিনহোকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ফ্ল্যামেঙ্গো এরপর যেন ঝিমিয়ে যায়। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দুটি পেনাল্টি থেকে সফল স্পট কিকে জোড়া গোল করেন নেইমার। এই ড্রয়ের ফলে ২৯ ম্যাচ শেষে ফ্ল্যামেঙ্গোর পয়েন্ট দাঁড়াল ৬১। টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও পয়েন্ট ব্যবধান কমে যাওয়ায় শিরোপার লড়াই এখন আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে হতাশা লুকাতে পারেননি ফ্ল্যামেঙ্গো কোচ লিওনার্দো জার্দিম, ‘ম্যাচটি ড্র হলেও মূলত আমরা দুটি পয়েন্ট হারিয়েছি। প্রথম পেনাল্টির আগপর্যন্ত আমরা ম্যাচটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছিলাম। ৩-০ করার সুযোগও ছিল। কিন্তু আমরাই প্রতিপক্ষকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছি। অপ্রয়োজনীয় পেনাল্টি ও এক খেলোয়াড় কম নিয়ে কামব্যাক করা সহজ ছিল না।’
রেফারির পেনাল্টি বা লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে মেনে নিলেও কিছু ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন জার্দিম। তবে দলের খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত আত্মতুষ্টি এবং শেষ মুহূর্তের মনোযোগহীনতাকেই বড় হারের কারণ হিসেবে দেখছেন এই পর্তুগিজ কোচ।




