‘দিনশেষে কার্ডটা আমাকেই দেখতে হয়’
চার ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস

সংগৃহীত ছবি
গত সপ্তাহে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে বদলি নেমে গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে ভিএআরের পরামর্শে মনিটরে রিপ্লে দেখে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল টেনে ধরায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ভিনিসিয়ুস। মেজাজ হারিয়ে মাঠ ছাড়ার সময় রেফারির সঙ্গে তর্কও করেন তিনি।
এই অপরাধে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলা কমিটি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিষিদ্ধ করেছে চার ম্যাচ। তাই বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদ পাচ্ছে না এই ব্রাজিলিয়ানকে।
ভিনির অপরাধ দুটি। সরাসরি লাল কার্ড দেখে নিষিদ্ধ হয়েছেন দুই ম্যাচ। রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করায় নিষেধাজ্ঞা হয়েছে আরও দুই ম্যাচের। সেদিনই অবশ্য নিজের আচরণের জন্য মাফ চেয়েছিলেন ভিনি। বড় শাস্তি এড়াতে পারলেন না তারপরও। এজন্য লা লিগায় খেলতে পারবেন না সেভিয়া, বার্সেলোনা, রেসিং সানতানদের ও ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে।
রোমার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে জানানো হয় এই নিষেধাজ্ঞা। এ নিয়ে রোমাকে ৪-৩ গোলে হারানোর পর ভিনি বললেন,‘নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য তাদের হাতে পুরো দিন সময় ছিল, অথচ আমি স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর ঠিক পরে তারা জানায় আমি লিগের চারটা ম্যাচে খেলতে পারব না। আমি বুঝতে পারছি না কেন এমনটা হলো।’
নিজের শাস্টিাও মানতে পারছেন না ভিনি,‘সত্যি বলতে, এই নিয়মটা একদম নতুন। এ নিয়ে তারা আমাদের আগে কখনো কিছুই বুঝিয়ে বলেনি। নতুন কোনো নিয়ম এলে তো সবসময় এসে বুঝিয়ে দিয়ে যায়, কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কিছুই বলা হয়নি। শেষ পর্যন্ত আমাকে লাল কার্ড দেওয়াটা খুবই সহজ এক সিদ্ধান্ত... কারণ প্রতিপক্ষের সমর্থকরা বলতেই পারে যে এটা সঠিক বিচার ছিল। আমি কখনোই কোনো খেলোয়াড়ের প্রতি সহিংস আচরণ করিনি। আমি সবসময় মাথা ঠান্ডা রাখি, আমার ওপর বেশ ফাউলও করা হয়, অথচ দিনশেষে কার্ডটা আমাকেই দেখতে হয়।’



