মালয়েশিয়াকে হারানোর আশাও করেননি ডুলি

সংগৃহীত ছবি
এবারের বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে, কুরাসাওয়ের মতো ছোট দেশগুলোও যখন ফুটবলের পরাশক্তির বিপক্ষে খেলতে নেমেছে, তার আগে এই দলের কোচরা বলেছেন অঘটনের স্বপ্নের কথা। বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ থমাস ডুলি অনেক বেশি বাস্তববাদী। তিনি আগেও বলেছিলেন এবং ৩-০ গোলে হারের পরও বললেন, ‘মালয়েশিয়াকে হারিয়ে দেওয়ার আশাও করি না।’
শুক্রবার জাকার্তায় আসিয়ান কাপের ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে ডুলি বলেছেন, ‘আমি এই টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়াকে ২-০ কিংবা ৩-০ গোলে হারিয়ে দেওয়ার বা এরকম কিছুর জন্য আশাও করি না। আমরা এমন একটা দলের বিপক্ষে খেলেছি, যারা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আর খেলাটা এরকমই। তাদের আর আমাদের মধ্যে যে পার্থক্য, সেটা আপনারা সবাই মাঠেই দেখেছেন। তাই আমি খেলোয়াড়দের খারাপ পারফরম্যান্স নিয়ে কিছু বলব না, তারা সবাই চেষ্টা করেছে।’ ডুলির সূত্র মানলে অবশ্য বিশ্বকাপের প্রয়োজন পড়ে না, ফিফা র্যাংকিং দেখে ট্রফি দিয়ে দিলেই হয়!
ম্যাচের ফল নিয়ে বললেন, ‘আমি অবশ্যই স্বপ্ন দেখিনি এরকম একটা দিনের, তবে কমবেশি যা হয়েছে, তা ছিল মাঠে তাদের আর আমাদের মধ্যে নিখুঁততা, কৌশল আর দক্ষতার পার্থক্যের প্রতিফলন। তারা যে র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ওপরে, তার নিশ্চয়ই একটা কারণ আছে। আমাদের শুরুটা ভালো হয়নি, এরপর সেটাই আমাদের সঙ্গে হয়েছে মাঠে। শুরুতে আমরা অনেক ধীরগতির ফুটবল খেলেছি আর অনেক ভুল করেছি। আমাদের পাসিং আর নিখুঁততা ভালো ছিল না, অনেক জায়গা ছেড়েছি প্রতিপক্ষকে, বিশেষ করে আমাদের গোলবারের সামনে। ওদের অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে, তারা অনেক ভালো মানের। এই রকম অবস্থায় এত ভুলের খেসারত দিতেই হবে।’
ফারহান ওয়াহিদ (কোচ বলেছেন ফাহাদ) সম্পর্কে বলেছেন, ‘এই ম্যাচ অবশ্যই তার জন্য খুব একটা উপযুক্ত ছিল না। সে বক্সের ভেতরে ঢোকার, গোলের কাছে যাওয়ার মতো খেলোয়াড়, বিশেষ করে যেখান থেকে সে বক্সের ভেতর ডান দিক বা বাঁ দিক থেকে ঢোকার চেষ্টা করে। এই ম্যাচে সে অনেক বেশি রক্ষণে ব্যস্ত ছিল। আমি খুশি যে সে আমাদের সঙ্গে এসে অনুশীলন করেছে আর খেলেছে। আমরা তাকে ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারিনি, দ্বিতীয়ার্ধে যদি আরেকটু ভালো খেলতে পারতাম, তাহলে হয়তো তাকে একটা সুযোগ দেওয়া যেত। তাকে নিয়ে আমি খুশি।’
সোমবার বাংলাদেশ খেলবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।



