ম্যারাডোনা-মেসির রেকর্ডও পেছনে ফেলেছেন ফ্লোরেস

লিওনেল ফ্লোরেস। ছবি : সংগৃহীত
আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেকেই ড্রিবলিংয়ে মুগ্ধ করেছেন লিওনেল ফ্লোরেস। বোকা জুনিয়র্সের এই তরুণ বলিভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন ৮০ মিনিটে। হোসে লোপেসের করা দলের চতুর্থ গোলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। তবে শুধু সেটুকুই নয়, ফ্লোরেসের অভিষেক ঠাঁই করে নিয়েছে রেকর্ডের পাতাতেও।
১৯ বছর বয়সী ফ্লোরেস নিজের ক্লাবের প্রথম বিভাগে (ফার্স্ট ডিভিশন) অভিষেক হওয়ার পর সিনিয়র জাতীয় দলে পৌঁছাতে সময় নিয়েছেন মাত্র ৭৬ দিন, যা আর্জেন্টাইনদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম। এ বছরের ১৬ জুলাই কোপা আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচে সারমিয়েন্তোর বিপক্ষে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ২-০ ব্যবধানের জয়ে অভিষেক হয়েছিল তার। সেই ম্যাচে একটি গোলও করেছিলেন ফ্লোরেস।
ফ্লোরেস ভাঙলেন তারই সতীর্থ তমাস আরান্দার রেকর্ড। ক্লাউদিও উবেদার কোচিংয়ে এ বছরের ২৮ জানুয়ারি বোকার হয়ে অভিষেকের ১২৯ দিন পর, গত ৬ জুন হন্ডুরাসের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল আরান্দার।
এই নতুন রত্নটি কেবল তার সতীর্থকেই পেছনে ফেলেননি, বরং ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিদের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছেন। ক্লাব ফূটবলে অভিষেকের পর জাতীয় দলে ম্যারাডোনা প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন ১৩০ দিন বাদে। অভিষেকের আগে মেসি বার্সেলোনার হয়ে খেলেছিলেন ৩০৫ দিন।
আবার এমন কয়েকজন আর্জেন্টাইন আছেন যাদের ক্লাবের আগে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল! হাভিয়ের মাসচেরানোর ক্লাবে অভিষেকের ১৮ দিন আগেই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল। এই তালিকায় আরও রয়েছেন মার্সেলো ত্রোবিয়ানি (৬৩ দিন আগে), হোর্হে চেকি (১২২ দিন আগে), এমানুয়েল মামানা (১২৪ দিন আগে) এবং আলেহান্দ্রো দেবেলে (২৭৮ দিন আগে)।



