জাতীয় লিগ
তাইবুরের ডাবল সেঞ্চুরি, ইরফানের ব্যাটে চট্টগ্রাম

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা। ঢাকার হয়ে তাইবুর রহমান তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত ডাবল সেঞ্চুরি। অন্যদিকে চট্টগ্রামের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন ইরফান সাব্বির তানভীর।
আগের দিন সেঞ্চুরি করা তাইবুর দ্বিতীয় দিনে নিজের ইনিংসকে ডাবলে রূপ দেন। ২৯৪ বলে ২১১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ৬৪ রান করে ফেরার পরও একপ্রান্ত আগলে রাখেন তাইবুর।
শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫১৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে ইনিংস ঘোষনা করে ঢাকা। বড় সংগ্রহের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে খুলনা। সৌম্য সরকার ৯ রান করে ফিরেছেন। তামিম ৪৯ ও মোহাম্মদ মিঠুন ২৪ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন।
অন্যদিকে সাভারের বিকেএসপিতে বরিশালের বিপক্ষে বড় লিডের পথে চট্টগ্রাম। প্রথম ইনিংসে রংপুর ১৬৬ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রামের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেটে ৩০৪ রান। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থামেন সাদিকুর রহমান। ৯০ রান করেন তিনি। সাদ্দাম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। এরপর ইরফান সাকরি তাবরির জাতীয় লিগের অভিষেকে ১১২ বলে ১০৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল একটি ছক্কা ও ছয়টি চার। দিন শেষে চট্টগ্রাম রংপুরের চেয়ে ১৩৮ রানে এগিয়ে রয়েছে। রংপুরের হয়ে মেহেদী হাসান নিয়েছেন চার উইকেট।
সিলেট ও রাজশাহীর ম্যাচে নিজেদের ইনিংসে ৩৩৬ রানে অলআউট হয় সিলেট। জবাবে রাজশাহী প্রিতম কুমারের সেঞ্চুরির পরও মাত্র ১৯২ রানে অলআউট হয়। প্রিতম একপ্রান্ত ধরে ওয়ানডে স্টাইলে ১১৪ বলে করেছেন ১০৫ রান। নাসুম আহমেদ নিয়েছেন ইনিংসে ৫ উিইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেট ৬৩ রান তুলেছে বিনা উইকেটে। রাজশাহীর চেয়ে ২০৮ রানে এগিয়ে তারা।
ময়মনসিংহ ও বরিশালের ম্যাচে মোসাদ্দেক হোসেনে ভাই মোসাব্বেক হোসেন ক্যারিয়ারের প্রথম জাতীয় লিগের ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তার ৬৯ রান ও ফাহিমের ৫৯ রানে ৩৮৬ রানে প্রথম ইনিংস শেষ করে ময়মনসিংহ। পরে দলটির পেসার আবু হায়দার রনির ইনিংসে ৫ উইকেটে মাত্র ১৩৬ রান তুলতে ৮ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করে বরিশাল। দলের ফজলে মাহমুদ রাব্বি সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন। বরিশাল এখনও পিছিয়ে আছে ২৫০ রানে।



