স্কুল ক্রিকেটের স্মৃতি নাড়া দিল শান্ত-হৃদয়কে

স্কুল ক্রিকেট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। ছবি: আগামীর সময়
নাজমুল হোসেন শান্তর জীবনে স্কুল ক্রিকেটের বড় একটা ভূমিকা আছে। যেমনটা আছে তাওহিদ হৃদয়ের জাতীয় দলের ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পেছনে। সে কারণেই প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দুই ক্রিকেটার ডুব দিলেন স্মৃতির সাগরে।
হৃদয় স্কুল ক্রিকেট খেলেছেন চার বছর। চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন একবার। শান্তর ভ্রমণটা অবশ্য অন্যরকম। স্কুল ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া একটি দলের কেরালা সফরে আলো ছড়িয়েছিলেন তিনি। তার ওই পারফরম্যান্স সহজ করে দেয় বয়সভিত্তিক দলের পথ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট। এই প্রতিযোগিতায় নিজের খেলার অভিজ্ঞতা হৃদয় ভাগাভাগি করেছেন এভাবে, ‘একই ব্যাট, একই হেলমেট পরে ব্যাটিংয়ে নামার জন্য সবাই অনেক তাড়াহুড়ো করতাম। খেলার সরঞ্জাম খুব বেশি ছিল না, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে আসার পর যেভাবে সহজে পাওয়া গেছে। তবে এসবের মধ্যেও অনেক রোমাঞ্চ থাকে।’
খুদে ক্রিকেটারের হয়ে একটি অনুরোধও জানিয়ে রাখলেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার, ‘আমি সবসময় স্কুল ক্রিকেট ফলো করি। যদি ভুল না করি, এক-দুই বছর আগে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি; তখন টসে চ্যাম্পিয়ন ঠিক হয়েছে। এমন একটা টুর্নামেন্ট, যেখান থেকে অনেক খেলোয়াড় উঠে আসে এবং ভবিষ্যতেও উঠে আসবে। আমি চাই টুর্নামেন্টটা যেন বৃষ্টির মৌসুমে না হয়ে একটু আগে হয়, তাহলে সবাই সব ম্যাচ খেলতে পারবে।’
স্কুল ক্রিকেটের গুরুত্ব শান্তর কাছেও অনেক। তিনি নিজেও তো স্কুল ক্রিকেটের ‘ছাত্র’। শান্তর বর্ণনায়, ‘তখন স্কুল ক্রিকেটের একটা সফর ছিল কেরালাতে। ওই টুর্নামেন্টটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ আমি সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। তারপর অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খুব তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম। আমি মনে করি স্কুল ক্রিকেটটাকে বড় করে দেখা উচিত।’
প্রতিবছরের মতো এবারও বিশাল পরিসরে মাঠে গড়াচ্ছে স্কুল ক্রিকেট। ৬৪ জেলার ৩৫০ স্কুলের সাড়ে ৮ হাজারের বেশি খুদে ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছে। ৬৫১ ম্যাচের এই টুর্নামেন্ট জেলাপর্যায় থেকে শুরু হচ্ছে ১০ এপ্রিল। পর্যায়ক্রমে হবে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা।

