দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

সংগৃহীত ছবি
টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও হার দিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না তাওহিদ হৃদয়ের দলের সামনে। বুলাওয়েতে অবশেষে স্বস্তির জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল তারা।
টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় সফরকারীদের। সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিমের জোড়া ফিফটিতে দুই বছর পর এই ফরম্যাটে শত রানের ওপেনিং জুটি গড়ে বাংলাদেশ।
টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে চতুর্থবার উদ্বোধনী জুটিতে শতরানের দেখা পেল বাংলাদেশ। ২০২৪ এ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে এসেছিল শতরানের জুটি। এছাড়া ২০২৪ সালেই জিম্বাবুয়ের সঙ্গে তানজিদ তামিম ও সৌম্য সরকার জুটি করেছিল ১০১ রান। আর ২০২১ সালে মোহাম্মদ নাঈম ও সৌম্য সরকার জিম্বাবুয়ের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে করেছিলেন ১০২ রান। এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের শতরানের জুটি আছে মোট ১১টি।
১৫তম ওভারে এসে ১২০ রানের মাথায় ভাঙে এই জুটি। ৫৫ রানে ফেরেন সাইফ। তামিম করেছেন ৫৮। এরপর ২১ রানের মধ্যে আরও ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের দুর্দান্ত এক ক্যামিও দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। টানা ৪ বলে ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফউদ্দিন। ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে বাংলাদেশ তোলে ১৮৬ রান।
রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে কখনোই সুবিধা করতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তাদের ইনিংস গুটিয়ে গেছে ১৫২ রানে।
মাহেদি হাসান ও রিশাদ হোসেনের দারুণ বোলিংয়ে ক্রিজে থিতু হতে পারেনি জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। ২৬ রান দিয়ে রিশাদ নিয়েছেন ৪টি উইকেট, মাহেদি পেয়েছেন তিনটি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান এসেছে রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে। ২৮ রানে ফিরেছেন সিকান্দার রাজা। শেষের দিকে ১৪ বলে ২৫ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিলেন ব্র্যাড ইভানস।
শেষ পর্যন্ত দুই বল বাকি থাকতে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ১৫২ রানে। আগামী ১৯ জুলাই সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।




