ফুটবলে হতাশা ক্রিকেটে পদকের আশা

প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে খেল ৬ গোল। দুই ম্যাচে ১৬ গোল খেয়ে বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার মনে করিয়ে দিচ্ছেন কঠিন বাস্তবতাকেই।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পিটার বাটলার অকপটে স্বীকার করেছেন, ‘সত্যি বলতে ৬-০ ব্যবধানটা আমার কাছে একটু বেশিই নিষ্ঠুর মনে হয়েছে। কিন্তু আমরা এমন এক দল, একটা গোল হজম করলে পরপর তিনটা হজম করে ফেলি। কখনো কখনো আমরা পাথরের মতো শক্ত ও দৃঢ়, আবার কখনো ফুটো হয়ে যাওয়া তাঁবু। খুব সহজেই একের পর এক গোল হজম করতে পারি।’
ওসাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এ কোচ আনেন ছয় পরিবর্তন। আগের ম্যাচে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা ঋতু, মনিকা, এমনকি গোলকিপার রূপনা চাকমাকেও খেলান তিনি। তারপরও বড় ব্যবধানেই হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হেরে দ্বিতীয় হওয়ার আশা শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। এখন গ্রুপের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারকে হারাতে পারলে সেরা তৃতীয় দলের একটি হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার একটা সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের।
বড় ব্যবধানে হারের হতাশা পেছনে ফেলে মিয়ানমার ম্যাচেই মনোযোগ দিতে চান বাটলার, ‘নিজেদের সামলে নিয়ে, গায়ের ধুলো ঝেড়ে আমাদের আবার এগোতে হবে।’
ফুটবলে পদকের আশা না থাকলেও ক্রিকেটে সেই সম্ভাবনা জেগেছে। এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ ও চীনের। তবে আগের রাতের বৃষ্টির রেশ কাটলেও মাঠ পুরোপুরি খেলার উপযোগী না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর মাঠে গড়ায়নি ম্যাচটি। ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন আয়োজকরা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে (বাংলাদেশ দশম, চীন ৩৬তম) কপাল খুলেছে টাইগ্রেসদের। মাঠে কোনো বল না গড়ালেও র্যাংকিংয়ের নিয়মে সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার জাপান-ভারত ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালের লড়াইয়ে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেই ম্যাচে হারলেও থাকবে ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগ।



