বাংলাদেশের বিপক্ষে কীর্তি গড়ার দুয়ারে স্টার্ক

সংগৃহীত ছবি
নতুন কীর্তির দুয়ারে মিচেল স্টার্ক। সেটা হতে পারে বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্টেই। স্টার্কের টেস্ট উইকেট এখন ৪৩৩টি। আর ৭ উইকেট নিলে টেস্ট ইতিহাসে গড়বেন পেসারদের মধ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। ৪৩৪ উইকেট নিয়ে কপিল দেব ছয় আর ৪৩৯ উইকেট নিয়ে সাত নম্বরে এখন ডেল স্টেইন। পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭০৪ উইকেট অবশ্য ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসনের। পেস-স্পিন মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৮০০ টেস্ট উইকেট শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরনের। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে ৭ উইকেট পেলে ৪৪০ উইকেট নিয়ে সেরা দশে চলে আসবেন স্টার্ক।
এই কীর্তি সম্মানের হলেও এ নিয়ে খুব বেশি উচ্ছ্বসিত নন স্টার্ক। ‘এএপি’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মজা করেই বললেন,‘এর মানে হলো আমি বেশ কিছুদিন ক্রিকেট খেলে ফেলেছি! এসব কিংবদন্তিদের পাশাপাশি আমার নাম উচ্চারিত হওয়াটা সত্যিই দারুণ। বিনয়ীও করে। তবে যতক্ষণ খেলছি, ততক্ষণ এসব স্বীকৃতি নিজের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এগুলো নিয়ে আগাম চিন্তা করি না।’
সেই ২০১১ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে খেলছেন স্টার্ক। ব্যর্থতা আর নেতিবাচক ব্যাপার নিয়ে খুব বেশি মাথা না ঘামানোর ক্ষমতাই তার ক্যারিয়ারের সাফল্যের রহস্য বলে জানালেন স্টার্ক,‘ শব্দটা ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, তবে মূল বিষয়টাই হলো বাজে স্মৃতিগুলোকে ঝেড়ে ফেলা। আপনি নিজে যা ভাবেন বা অন্য মানুষ আপনার সম্পর্কে যা ভাবে-আপনি কখনোই ততটা ভালো বা খারাপ নন। কোনো কিছু মনের মতো না হলে এখনো আমি ঘ্যানঘ্যান করি, ক্ষোভ জানাই। এমনকি অ্যাশেজ শুরুর আগের দিন পর্যন্ত মনে হচ্ছিল না যে সব কিছু ঠিকঠাক জায়গায় এসেছে।’
এসব ক্ষেত্রে কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড ও প্যাট কামিন্স সাহস জোগান বলে তাদের প্রশংসায় ভাসালেন স্টার্ক,‘ম্যাকডোনাল্ড ও কামিন্সের নেতৃত্বে আমাদের দলের বড় বৈশিষ্ট্য হলো-দিন ভালো যাক বা খারাপ, ওভার কিংবা স্পেল ভালো হোক বা বাজে-সেটা ওখানেই শেষ। সামনে এগিয়ে যাও।’
৩৫ বছর বয়সের পর অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের মধ্যে গ্লেন ম্যাকগ্রার পরেই সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড স্টার্কের। গত গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়ার ৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ জয়ের নায়কও তিনি। এই বয়সেও সেরা ছন্দে খেলা নিয়ে স্টার্ক জানালেন,‘যখন আপনার বয়স ৩৬ বছর এবং আপনি ১৬ বছর ধরে খেলছেন, তখন আপনার চাওয়া থাকবে কোন না কোনও জায়গায় উন্নতি করা। দীর্ঘদিন টিকে থাকার কারণই হল-আপনি নতুন কিছু শেখার, বিকাশের ও উন্নতির ক্ষমতা রাখেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ওয়াবল সিমের ব্যবহার, ধারাবাহিকতা আর অন্যান্য কিছু ব্যাপারও।’






