গতির ঝড়ে কাউন্টি মাতাচ্ছেন হাসান-খালেদ

ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। কেন্টের হয়ে ম্যাচের প্রথম ইনিংসেই আগুনে বোলিংয়ে ডার্বিশায়ারের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এই দুই পেসার। তাদের যৌথ নৈপুণ্যে প্রথম ইনিংসে ডার্বিশায়ারকে ৩০০ রানে আটকে ফেলে কেন্ট।
ডার্বির কাউন্টি গ্রাউন্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে ডার্বিশায়ার। আগের তিন ম্যাচে ইনিংসের প্রথম ওভারে বল হাতে না পেলেও এবার শুরুতেই আক্রমণে এসেই ঝলক দেখান হাসান মাহমুদ। ম্যাচের প্রথম দুই বলে টানা দুই উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষ শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দেন। অফ স্টাম্পের বাইরে বাড়তি বাউন্সি ডেলিভারিতে স্লিপে জ্যাক ক্রলির হাতে ধরা পড়েন হ্যারি কেইম। এর ঠিক পরের বলেই তীক্ষ্ণভাবে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে ম্যাথু মন্টেগোমারি এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন।
প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলে ডার্বিশায়ারকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন মুহাম্মেদ নাইম ও অভিজ্ঞ ওয়েন ম্যাডসেন। কিন্তু তাদের সেই জুটি থিতু হতে দেননি প্রথমবার কাউন্টিতে অভিষেক হওয়া সৈয়দ খালেদ আহমেদ। নিজের তৃতীয় ওভারেই প্রথম কাউন্টি উইকেটের স্বাদ পান এই পেসার। ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে নাইমকে (১২) এলবিডব্লিউ করার পর লংগার ভার্সনে সাড়ে ১৭ হাজার রানের মালিক অভিজ্ঞ ম্যাডসেনকেও (২৯) নিচু হওয়া ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা ডার্বিশায়ারের ইনিংস ধসে পড়ার মুখে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান মার্টিন অ্যান্ডারসন। পাঁচে নেমে একপ্রান্ত আগলে রেখে হাঁকান অসাধারণ এক সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি ১৯০ বলে ১৫ চারে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। অষ্টম উইকেটে ব্রেট র্যান্ডালের (২৯) সঙ্গে তার ৮৪ রানের জুটিই মূলত দলকে তিনশ রানের কোটা পার করিয়ে দেয়।
এর মাঝেই নিজের উইকেটসংখ্যা আরও বাড়িয়ে নেন হাসান। ভেতরের ঢোকা বলে ডার্বিশায়ার কিপার-ব্যাটার ব্রুক গেস্টকে এলবিডব্লিউ করার পর ইনিংসের শেষ উইকেটে শোয়েব বাশিরকে এলবিডব্লিউ করে নিজের চতুর্থ শিকার ধরেন। ১৫.৫ ওভার বোলিং করে তার খরচ মাত্র ৩০ রান। এর মধ্য দিয়ে চার ম্যাচেই কাউন্টিতে তার মোট উইকেটসংখ্যা দাঁড়াল ২৩টিতে। অন্যদিকে খালেদ ৩ উইকেট নিয়েছেন ৭৩ রান খরচায়।







