খালেদ মাহমুদ
সালাউদ্দিনের সঙ্গে কোন সমস্যা নেই

জাতীয় দলের সহকারী কোচের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে খালেদ মাহমুদ সুজনের সম্পর্কের টানা পোড়েন আছে। তাই সুজন থাকা অবস্থায় সালাউদ্দিন বিসিবিতে ছিলেন না, আবার এখন সালাউদ্দিন থাকায় সুজন বিসিবিতে নেই। দেশের ক্রিকেট মহলে এমন গুঞ্জন। অনেকেই বলছেন দুজনের মধ্যে সুসম্পর্ক নেই।
কিন্তু খালেদ মাহমুদ সুজন এক কথায় উড়িয়ে দিলেন অভিযোগ, ‘এটা তো মানুষ বলে। কী ঝামেলা? আমি আর সালাউদ্দিন তো এটা মনে করি না। ছোট বেলা থেকে দুজন দুজনকে ভালোভাবে চিনি, একসাথে খেলেছি। এরপর দুজনই কোচিংয়ে এসেছি। ওর সঙ্গে সবসময় আমার সুসম্পর্ক। ও কোচ হিসেবে নিজেকে অনেক পরিণত করেছে, অনেক বড় পরিসরে কোচিং করাচ্ছে। আমার মনে হয় না ওর সঙ্গে কখনও কোনো সমস্যা ছিল। সালাউদ্দিনও এটা বলবে।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে লম্বা সময় নানা পদে দেখা গেছে খালেদ মাহমুদ সুজনকে। বিসিবি পরিচালক, টিম ম্যানেজার, হেড কোচ; সব জায়গাতেই ছিল তার পদচারণা। সেই খালেদ মাহমুদ এখন জাতীয় দল থেকে অনেকটা দূরে। তবে ফেরার ইচ্ছে যে নেই তা নয়, বোর্ড চাইলে বিসিবিতে কোচিং পদে আবার ফিরতে চান বর্তমানে কোচিং পেশায় নিযুক্ত এই সাবেক ক্রিকেটার।
রোববার পূর্বাচলে অবস্থিত ক্রিকেটার্স অ্যাকাডেমি পরিদর্শনে গিয়েছিলে জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকাররা। এই অ্যাকাডেমির সঙ্গে ভালো ভাবেই যুক্ত আছেন এই ক্রিকেটাররা। সেখানেই নিজের বক্তব্যে কোচিংয়ে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন সুজন, ‘সেটা তো আমি বলতে পারব না (বিসিবিতে কোচিংয়ে ফেরা)। যদিও আমার ব্রেড অ্যান্ড বাটার কোচিং। বোর্ড যদি মনে করে আমি যোগ্য, তারা যদি প্রস্তাব করে আমি অবশ্যই নেব।'
সালাউদ্দিন শুধু নয়, জাতীয় দলে দেশি কোচদের সংখ্যা সন্তুষ্ট করে সুজনকে। তার মতে বিদেশি কোচদের থেকে দেশি কোচরা থাকলে ক্রিকেটারদের উপকার হয় বেশি। ভাষাগত পার্থক্য দূর হওয়ায় ক্রিকেটাররা সকল বিষয়ে সহজে বুঝতে পারেন। এতে করে দেশি কোচদেরও উন্নতি হচ্ছে বলে জানান সুজন।



