নারী এশিয়া কাপ
বিদায় নিয়ে ব্যাটারদের দুষলেন জ্যোতি

সংগৃহীত ছবি
পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাটিংটা তাদের বেশ ভুগিয়েছে। ভারতের বিপক্ষে সেই ব্যাটিং ব্যর্থতাতেই হারতে হলো বাংলাদেশকে। এশিয়া কাপে ভারতের কাছে ৪০ হারে হেরে বিদায় নেওয়ার পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দুষলেন ব্যাটিং ও বাজে ফিল্ডিংকেই।
দুবাইয়ের সেমিতে টসে জিতে বোলিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। ভারতের উড়ন্ত শুরুর পরেও তাদের ১৪৯ রানে আটকে দেয় বাংলাদেশ। তবে ব্যাটাররা কখনোই জয়ের আশা দেখাতে পারেনি দলকে। শেষ পর্যন্ত ১০৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
ম্যাচ শেষে জ্যোতি জানান, ভারতকে ১৪৯ নয়, ১৩০ রানে আটকে রাখার ভাবনা ছিল তাদের, ‘আমরা ওদের ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার কথা ভেবেছিলাম। গত কয়েক ম্যাচে যেভাবে ব্যাটিং-ফিল্ডিং করেছি; সেটা ভালো হয়নি। আমরা উইকেটও বিলিয়ে এসেছি। এতে রান তাড়া কঠিন হয়ে যায়।‘
ব্যাটারদের অধারাবাহিকতাকেই দুষলেন জ্যোতি, ‘এটা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের বড় এক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২ ম্যাচে যারা রান করেছে এবার তারা রান পায়নি। রানের এই অধারাবাহিকতাই আমাদের ভোগাচ্ছে।‘
বাংলাদেশ অধিনায়ক আরও বলেন, ‘বোলাররা গত ৩ ম্যাচে ভালো করেছে। আমরা ভুগছি ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে। উইকেট অবশ্য একটু ধীর গতির ছিল। ব্যাট করার জন্য এত সহজ ছিল না।‘
স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে শুরুতেই ভারতকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। যদিও এই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি। জ্যোতি জানান, ‘স্মৃতি মান্ধানা না শুধু, আমরা ওদের সব ব্যাটারকে নিয়েই কথা বলেছি। তারা সুযোগ দিয়েছিল, আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। দ্বিতীয় ওভারেই লং অনে ক্যাচ দিয়েছিল শেফালি ভার্মা। ঐ ক্যাচ ধরলে পুরো দৃশ্য অন্যরকম হতে পারত। তবে যেভাবে মেয়েরা লড়াই করেছে, আমি খুশি।‘
এ সময় দলের বোলিং ও ফিল্ডিং নৈপুন্য নিয়ে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভালো ফিল্ডিংই করেছি। এই বিভাগেই বাকি দুই বিভাগের চেয়ে ভালো করেছি। বোলাররা ভালোই তো করছে। ভারত অনেক ভালো ব্যাটিংও করছিল। শেষদিকে অনেক রান তুলেছে।‘
জ্যোতি বলেন, ‘মাঝখানে আমরা ঠিকই নিয়ন্ত্রণ রেখেছিলাম। স্পিনাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করেছে। ১৩০-১৩৫ রানেই ওদের আটকে রাখা যেত, তাহলে ব্যাটিং ইউনিটের সামনে ভিন্ন দৃশ্যপট থাকত।‘



