ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ফাইনালের হাতছানি মিরাজের গায়ানার

সংগৃহীত ছবি
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) দারুণ ছন্দে থাকা গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সকে থামিয়ে দিল বার্বাডোজ। প্রথম কোয়ালিফায়ারের আগে নিজেদের শেষ ম্যাচে ৬ উইকেটের হার দেখেছে টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি। তবে বল হাতে বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ ছিলেন দুর্দান্ত। ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।
লিগ পর্বে অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকন্সের কাছে প্রথম হারের পর মিরাজের অভিষেক ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল গায়ানা। এরপর টানা জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠে তারা। এবার বার্বাডোজের কাছে হেরে প্রথম কোয়ালিফায়ারের আগে কিছুটা ধাক্কা খেল দলটি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে গায়ানা। তৃতীয় ওভারেই ১৫ রানে হারায় ৩ উইকেট। সেখান থেকে গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে হাল ধরার চেষ্টা করেন মিরাজ। দুজনের জুটিতে আসে ২৩ রান। তবে ২৪ রান করে ফিলিপসের বিদায়ে ভাঙে সেই জুটি। গায়ানার হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহও এটিই।
দলের বিপর্যয়ে মিরাজের ব্যাট থেকেও বড় ইনিংস আসেনি। ২৪ বলে একটি চার ও একটি ছক্কায় ১৮ রান করেন তিনি। শেষদিকে রোমারিও শেফার্ড ও ইমরান তাহিরের ৩১ রানের জুটিতে কোনোমতে তিন অঙ্কের কাছাকাছি যায় গায়ানা। ২২ রানে শেফার্ড আউট হলে ১৮.১ ওভারে ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। বার্বাডোজের হয়ে এএম গজনফার ও জোহান লেইন নেন ৩টি করে উইকেট।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা খুব স্বস্তির ছিল না বার্বাডোজের। ৩৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় তারা। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে কুইন্টন ডি ককের অফস্টাম্প উড়িয়ে দিয়ে গায়ানাকে ম্যাচে ফেরান মিরাজ। পরে ১২তম ওভারে শ্যাডর্যাক ডেসকার্টেকে ৩২ রানে ফেরান বাংলাদেশের এই অফস্পিনার।
তবে ততক্ষণে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে যায় বার্বাডোজ। ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ১৪.৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় তারা।
তিন ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে সিপিএলে ছন্দে থাকা মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংও এবার গায়ানার হার ঠেকাতে পারেনি। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকন্সের বিপক্ষে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মাঠে নামবে দলটি। সেই ম্যাচ জিতলেই সরাসরি ফাইনালের টিকিট পাবে গায়ানা।



