বিপিএলে ফিক্সিং
আরও দুজনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করল বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) একাদশ ও দ্বাদশ আসরে ম্যাচ ফিক্সিং, দুর্নীতির তথ্য গোপন এবং তদন্তে অসহযোগিতা ও মোবাইল ডিভাইস লুকানোর মতো গুরুতর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট (বিসিবিআইইউ)।
আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন—চট্টগ্রাম রয়্যালসের দ্বাদশ সংস্করণের সাবেক মালিক মো. আবদুল কায়ুম রাশেদ এবং দুর্বার রাজশাহীর একাদশ ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের দ্বাদশ সংস্করণের সাবেক টিম অপারেশনস ম্যানেজার মো. আমিন খান। বিসিবি জানিয়েছে, বিপিএলের ম্যাচগুলোর ফলাফল ও গতিপ্রকৃতি প্রভাবিত করা (ফিক্সিং), দুর্নীতির প্রস্তাবের তথ্য নির্ধারিত সময়ে না জানানো, তদন্তে সহযোগিতায় অস্বীকৃতি এবং তদন্তকাজে বাধা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসির কোডের ধারা ২.১.১ (ম্যাচ ফিক্সিং বা এর সঙ্গে যুক্ত থাকা), ধারা ২.৪.৪ (দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে না জানানো), ধারা ২.৪.৫/২.৪.৬ (তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং প্রধান মোবাইল ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য জমা দিতে অস্বীকৃতি জানানো) এবং ধারা ২.৪.৭ (মোবাইল ডিভাইস লুকিয়ে বা না দিয়ে তদন্তকাজে বাধা সৃষ্টি করা)-এর অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে আমিন খানের বিরুদ্ধে আইসিসির কোডের ধারা ২.১.১ (ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা), ধারা ২.১.৪ (অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা বা সহায়তা করা), ধারা ২.৪.৬ (তদন্তে সহযোগিতা না করা) এবং ধারা ২.৪.৭ (তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত যোগাযোগ বা তথ্য গোপন ও ধ্বংস করে তদন্তকাজে বাধা দেওয়া)-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোড অনুযায়ী অভিযুক্ত এই দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর থেকে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে তাদের এই অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শাস্তির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড। তাছাড়া এই বিষয়ে বিসিবি আপাতত আর কোনো মন্তব্য করতে নারাজ।





