কবে হবে ভারত সিরিজ!

১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ভারতের।
ভারত ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর নির্ধারিত সময়ে হবে তো? এ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কারণ, প্রায় একই সময়ে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের হোম সিরিজের সম্ভাব্য সূচি জানিয়েছে ক্রিকইনফো।
ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দিল্লিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। ম্যাচগুলোর সম্ভাব্য তারিখ ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ভারতের। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সম্ভাব্য প্রথম টি-টোয়েন্টির দিনই বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টির তারিখ মিলে গেছে।
অনিশ্চয়তার আরেকটি কারণ সম্প্রচারস্বত্ব। ভারত সিরিজের পাশাপাশি চলতি বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের, ২০২৭ সালে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান সিরিজের জন্য সম্প্রচারস্বত্ব বিক্রির দরপত্র আহ্বান করেছিল বিসিবি। ১ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন করার সময় দেওয়া হয়।
তবে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘সম্প্রচারস্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া এখনো চলমান। আসলে ভারত সিরিজটি তো একটু আলাদা, তাই ওটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। আর অন্যান্য সিরিজগুলোও আছে।’
এদিকে, আগামী বছর ইংল্যান্ড সফরে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ, যা অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ২৮ মে থেকে ১ জুন।
শুধু ইংল্যান্ড নয়, সেই সফরেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও একটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি ইংল্যান্ডের মাটিতেই হবে। লর্ডসে টেস্ট খেলার আগে এই ম্যাচ কোন ভেন্যু ও দিন-তারিখ কী হবে তা ঘোষণা করবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। তাই আগামী বছরের মে মাসে ইংল্যান্ড সফরে দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ।
লর্ডসে এখন পর্যন্ত দুবার খেলার সুযোগ হয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে ২০০৫ সালে দলের নেতৃত্বে ছিলেন হাবিবুল বাশার। এই মাঠে খেলার সৌভাগ্য পূর্ণ হওয়া সাবেক অধিনায়ক ওই টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে নতুনদের দিয়েছেন বিশেষ বার্তা। বর্তমান দলের সবাইকে অনার্স বোর্ডের কথা স্মরণ করালেন হাবিবুল, ‘লর্ডসে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। আমি নতুনদের বলব, এমন সুযোগ বারবার আসে না। তাই সবার উচিত অনার্স বোর্ডে নাম তুলে এই সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখা।’




