বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ধুয়ে দিলেন ম্যাথুজ!

গত বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন অ্যাঞ্জোলো ম্যাথুজ।
বড় দলগুলো এমনিতেই ছোট দলের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে চায় না। যদিও খেলে, সেটাও অনেক বছর পর পর দু-একটি করে। আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচিতে (এফটিপি) শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে কেবল একটি করে টেস্ট খেলার পরিকল্পনা আছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। এ কারণে ইসিবিকে একহাত নিয়েছেন লঙ্কান অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ।
ছোট দলগুলোকে টেস্ট ক্রিকেটে ব্রাত্য করার অনেক চেষ্টাই হয়েছে। দ্বিস্তরের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপর প্রস্তাবও হয়েছিল, যা প্রতিবাদের মুখে বাতিল হয়ে যায়। ম্যাথুজের মতে, টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ‘বড় দল’ বা ‘ছোট দল’ ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। ‘এক্স’ -এ ম্যাথুজ লেখেন, ‘আমাদের কারও সঙ্গেই একটি মাত্র টেস্টের সিরিজ খেলা উচিত নয়! যদি কোনো দেশ একটার বেশি টেস্ট খেলতে না চায়, তবে তা-ই হোক। টেস্ট মর্যাদা সব দেশের জন্য সমান।’
ইসিবি চাচ্ছে দীর্ঘ সফরের বদলে একটি টেস্ট ও সঙ্গে সাদা বলের সিরিজ আয়োজন করতে, যাতে স্বাগতিক দেশগুলোর জন্য সফরটি বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হয়। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের সঙ্গে তারা ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার আলোচনা চালাচ্ছে। এই বৈষম্যের দিকে আঙুল তুলে ম্যাথুজ বলেছেন, ‘একই চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে একটি দল ২০টি ম্যাচ খেলবে আর অন্য দল খেলবে ১০টি- এমনটা হতে পারে না।’
ম্যাথুজের মতে, রাজস্ব আয় এবং টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখা দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। লঙ্কান গ্রেট অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ গত বছরের জুনে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও এই ফরম্যাটের মর্যাদা রক্ষায় বরাবরই সোচ্চার। তার মতে, টেস্ট ক্রিকেটকে টিকিয়ে রাখতে হলে কেবল শক্তিশালী দেশগুলোর দিকে তাকালে চলবে না, বরং সব দেশের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে আগামী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বেশ কিছু বড় পরিবর্তনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানকে নিয়ে ১২ দলের এক স্তরের প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা আছে। ছোট দেশগুলোকে বেশি সুযোগ দিতে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজকেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে ইসিবি। এ ছাড়া ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়েতে টেস্ট খেলার চিন্তা করছে ইংল্যান্ড।






