ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে ট্রেনারের অসন্তোষ

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরুর আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের মান নিয়ে সন্তুষ্ট নন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ট্রেনার ইফতেখার ইসলাম ইফতি। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় লিগে অংশ নেওয়া আট দলের ভেতর চার দলের ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটারদের ফিটনেসের মান সন্তোষজনক হলেও জাতীয় দলের বাইরে থাকাদের ফিটনেসের মান কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির ট্রেনার।
আগামীর সময়কে ইফতি বলেছেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের আমি ১০০-এর ভেতর ৮০ নম্বর দেব, তবে সেটা ৯০-এ উঠলে ভালো। জাতীয় দলের সুযোগ-সুবিধার বাইরে যারা আছেন, তাদের ৬০ বা তার কম নম্বর দেব (শতাংশ হিসেবে)। আসলে এবার সব দলে প্রথম ও দ্বিতীয় একাদশ মিলিয়ে ৪০ জন ক্রিকেটার, তাই অনেকেরই ফিটনেসের মান ভালো নয়।’
জাতীয় স্টেডিয়ামে সকালে ফিটনেস টেস্টে অংশ নেন জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের একটি অংশ, সঙ্গে ছিলেন খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের ক্রিকেটাররা। ইফতি জানান, ফিটনেস মাপার জন্য পেসারদের জন্য ১৬০০ মিটার দৌড়, অর্থাৎ অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে ৪ চক্কর শেষ করতে হবে ৭ মিনিট সময়ের মধ্যে আর ব্যাটারদের জন্য ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ড। সামগ্রিকভাবে ফিটনেসের মান সম্পর্কে ইফতি খুব একটা আশাব্যঞ্জক মন্তব্য করেননি, ‘সামগ্রিকভাবে ফিটনেসের মান খুব একটা উন্নত নয়।
দুজন বাদে সবাই পাস করেছে, তবে ৩৩ যদি পাস মার্ক হয়, তাহলে টেনেটুনে পাসের সংখ্যাই বেশি। ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভেতর বেশিরভাগ ব্যাটারই ৭-১৫, ৬-১০, ৬-৫০ এরকম টাইমিং করে টেস্ট শেষ করেছেন। লক্ষ্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেস লেভেলকে ৯০ তে তোলা, বাইরের ক্রিকেটারদের জন্য ৭০ হলে ভালো।’ সিলেট বিভাগের ক্রিকেটার তোফায়েল ৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে ১৬০০ মিটার দৌড়ে নিজ বিভাগের সেরা টাইমিং করেছেন।



