Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ক্রিকেট

সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

ক্রীড়া প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪৩
সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

সংগৃহীত ছবি

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের অভিজ্ঞতাটা নতুন নয় বাংলাদেশের। বরং সবশেষ দুই দেখাতেই জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকেই ভারী। ২০২১ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে ৩-২-তে সিরিজ হেরেছিল নিউজিল্যান্ড, ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে বাংলাদেশ শেষ করেছে ১-১ সমতায়। চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটা জিতে লিটন দাসের দল তাই সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা করতেই পারে।

সাগরিকায় বুধবার জিতলেই অধিনায়ক হিসেবে লিটন পেয়ে যাবেন 'লাকি সেভেন'-এর দেখা! তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছয়টি দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। ২০২৫ সালেই জিতেছে পাঁচটি সিরিজে। এই বছরের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতলে সাফল্যের হারে পূর্বসূরীদের সঙ্গে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে নেবেন লিটন। অধিনায়ক হিসেবে ছয়টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ কেউই জেতেননি, লিটনের পরে টি-টোয়েন্টিতে সফল অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জিতেছে তিন সিরিজে আর সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে দুই।

অবশ্য সাফল্যের উল্টোপিঠেই থাকে ব্যর্থতা। লিটনের সিরিজ জয়ের সাফল্যের অর্ধেকই আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এই নিউজিল্যান্ড দলটাও এসেছে শীর্ষ ক্রিকেটারদের ছাড়াই। এতে অবশ্য লিটনের কোনো দায় নেই, তিনি তো আর প্রতিপক্ষকে সেরা খেলোয়াড়দের দেশে রেখে আসতে বলেননি!

আরও পড়ুন

মেহেদীর ‘পাঁচ মাসের’ আক্ষেপ

২৮ এপ্রিল ২০২৬


চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের ১৮৩ রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল আড়ষ্ট। তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান, প্রথম ৬ ওভারে অর্থাৎ পাওয়ার প্লের ৩৬ ডেলিভারির অর্ধেক; ১৮টা বলই দিয়েছেন ডট। প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৪৪ রান বাংলাদেশের, ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৭৭। ইনিংসের ওভারপ্রতি গড় রানের চাহিদা ৯-এর বেশি, সেখানে পাওয়ার প্লেতে এবং প্রথম ১০ ওভার শেষেও সেই রানটা ওভারপ্রতি ৭-এর একটি বেশি। শেষ ১০ ওভারে ১০০-এর বেশি রান লাগবে, এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ম্যাচটা হেরে বসে।

চট্টগ্রামে সেটা হয়নি মূলত তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম হোসেনের ব্যাটে। তিনজনই রান করেছেন উঁচু স্ট্রাইক রেটে, হৃদয় ২৭ বলে ৫১, ইমন ১৪ বলে ২৮ আর শামীম ১৩ বলে ৩১ রান করেছেন, তাতেই পুষিয়ে নেওয়া গেছে শুরুর ঘাটতি। শেষ পর্যন্ত ১২ বল হাতে রেখে জিতেছে বাংলাদেশ। তবে সবদিন তো এমন হবে না, ইনিংসের শুরুতে বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে রান না আসা মানেই যে দলীয় সংগ্রহটা ছোট হয়ে আসার আশঙ্কা।

বোলিংটা ছিল ঠিকঠাক। ব্যাটসম্যানদের জন্য যেসব উইকেটে রান করা সহজ, সেসব উইকেটে বোলারদের অল্পের ওপর দিয়ে পার পাওয়া কঠিন। রিশাদ হোসেন আর শেখ মেহেদি বাদে পেসাররা ছিলেন একটু খরুচে। তবে সেটা অনুমেয়, তারপরও টিম ম্যানেজমেন্টের উচিত এ রকম উইকেটেই খেলাটা চালিয়ে যাওয়া। কারণ ব্যাটসম্যানদের বড় রান তাড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠাটা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন

হৃদয় কখনো চাপই অনুভব করেননি

২৭ এপ্রিল ২০২৬

দুই স্পিনার মিলে মাঝের ওভারে রানের ফাঁস আটকেছেন, মোস্তাফিজ থাকলে হয়তো প্রতিপক্ষকে আরেকটু ভোগাতেন। তবে টি-টোয়েন্টিতে বোলারদেরও ভালো উইকেটে রান খরচা কমিয়ে আনার কৌশলটা শেখা চাই।

সত্যি কথাটা হচ্ছে দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ আসলে সঠিক ছবিটা দেখায় না, কারণ বেশিরভাগ দলেরই সেরা ক্রিকেটাররা ব্যস্ত থাকেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। তারা একত্র হন আইসিসি ইভেন্টে। তাই তো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে সফল বাংলাদেশ এশিয়া কাপে গিয়ে বেহাল।

তবে লিটন যদি তার অবস্থানে অটল থেকে স্পিন নির্ভর উইকেটের দাবি না করে এরকম ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলা চালিয়ে যান, তাহলে দল হিসেবে বাংলাদেশের সামর্থ্য বাড়বে।

২০০৬ সালের নভেম্বরে প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলেছিল বাংলাদেশ, ২০২৬ সালে অর্থাৎ ২০ বছরেও বাংলাদেশ কখনো প্রতিপক্ষের ২০০ রানের বেশি ঘরের মাঠে তাড়া করে জিততে পারেনি। সবশেষ ম্যাচে ১৮৩ রান তাড়া করে জেতাই ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ। এটা কীর্তি না অগৌরব সেটা পাঠকের বিবেচনা।


বাংলাদেশবাংলাদেশ-নিউজিল্যন্ডলিটন দাসবাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise