হৃদয় কখনো চাপই অনুভব করেননি

সংগৃহীত ছবি
তীরে এসে তরী ডোবানোর অভ্যাস বাংলাদেশের নতুন নয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শেষ ৫ ওভারে জয় থেকে ৪৮ রানের দূরে, তাই মনে ভয় ধরিয়েছিল। তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেনের জুটিটা ভয়ের রেশ কাটায়। টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় সেরা রান তাড়ার সাফল্য এনে দেয়।
ম্যাচ শেষে তাওহীদ হৃদয় স্বীকার করলেন, এই ম্যাচ হেরে গেলে লজ্জার শেষ ছিল না। দায়িত্ব নিয়ে দলকে বন্দরে পৌঁছে দিতে পেরে খুব খুশি তিনি। এভাবেই দায়িত্ব নিতে চান সামনেও, ‘আমরা এখন অভিজ্ঞ। সবাই ৩০-৩৫টি ম্যাচ খেলা। এই অবস্থা থেকে এমন ম্যাচ হেরে যাওয়া আমাদের জন্য ভালো উদাহরণ না। আমাদের ব্যাটারদেরই এই দায়িত্ব নিতে হবে। তবে প্রতিদিন কিন্তু টপঅর্ডার থেকে রান আসবে না, এমন ম্যাচ আসবে যে লোয়ার অর্ডার থেকেও ভালো করতে হবে। আমরা এই জিনিসগুলো যত দ্রুত সম্ভব ভালো করা যায়, সেই চেষ্টা করছি।’
চাপে পড়ে জয় হাতছাড়া করার উদাহরণ বাংলাদেশ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি আছে। সেই তালিকায় শীর্ষে থাকবে বেঙ্গালুরুতে ২০১৬ বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের কাছে হার। ওই ম্যাচে ২ বলে ১ রান নিতে পারেনি বাংলাদেশ।
‘ভয়কে জয় করতে’ না পারার কারণ যে চাপ, সেটা পরিষ্কার দেখা গেছে বিভিন্ন সময়। হৃদয় জানিয়েছেন, এমন চাপ সোমবার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বুঝতেই পারেননি, ‘আমাদের আজকের ইতিবাচক দিক হলো কখনোই আমরা চাপ নিইনি। ড্রেসিংরুমের ভেতর থেকেও মনে হয়নি আবার ক্রিজে থেকেও মনে হয়নি যে চাপে আছি। আমরা প্রতি ম্যাচ এভাবে খেলতে চাই। এরকম ম্যাচ যত জেতাতে পারব, দলের জন্যও ভালো এবং ক্রিকেটারের জন্যও ভালো।’



