Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

দাম বাড়তে পারে সব পণ্যের

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৪৯
দাম বাড়তে পারে সব পণ্যের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে জ্বালানির দামে।

সংস্থাটির সাম্প্রতিক সময়ের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং বিশ্বজুড়ে পণ্য বাজার, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পরবর্তী সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায় হবে। সামগ্রিকভাবে পণ্যের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার মূল কারণ জ্বালানি, সার এবং ধাতুর মূল্যবৃদ্ধি।

বিশ্বব্যাংক বলছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৩৫ শতাংশ সমুদ্রপথে তেল পরিবাহিত হয়। সংঘাতের কারণে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহে প্রাথমিকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ইতোমধ্যে ব্যাপক বেড়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে এটি বছরের শুরু থেকে ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৬ সালে ব্রেন্ট তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ৮৬ ডলার হতে পারে, যা ২০২৫ সালে ছিল ৬৯ ডলার। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে দাম ১১৫ ডলার পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে।

জ্বালানির পাশাপাশি সার বাজারেও বড় চাপ তৈরি হয়েছে। সারের দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বাড়তে পারে, যার মধ্যে ইউরিয়ার দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে আরও প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে পড়তে পারে। ধাতব বাজারেও চাপ তৈরি হচ্ছে। অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের মতো ধাতুর দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুর দাম প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ম্যাক্রো অর্থনীতিতে প্রভাবও গুরুতর। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে প্রায় ৫.১ শতাংশ হতে পারে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি। আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৬ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা ইন্দর্মিত গিল বলেছেন, ‘যুদ্ধের প্রভাব ধাপে ধাপে আসে—প্রথমে জ্বালানির দাম বাড়ে, পরে খাদ্যের দাম বাড়ে এবং শেষে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ায়, যা ঋণকে আরও ব্যয়বহুল করে তোলে।’

জ্বালানি তেলবিশ্বব্যাংকদাম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise