আন্দালিব রহমান পার্থ
আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি

সংগৃহীত ছবি
আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি ও পরিকল্পিত চুরি। এ কথা বলেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ।
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দালিব পার্থ বলছিলেন, ভয়াবহ লুণ্ঠনের তুলনায় ‘ফ্যাসিস্ট আমলের অব্যবস্থাপনা’ শব্দটি অত্যন্ত হালকা ও মৃদু একটি শব্দ। মূলত বাপেক্সকে সম্পূর্ণ পাশ কাটিয়ে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর প্রত্যক্ষ মদদে তৈরি করা হয়েছিল কৃত্রিম সংকট। এরপর কুইক রেন্টালের নামে দেশকে ধ্বংস করা হয়েছে অর্থনৈতিকভাবে, যার বোঝা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে এই জাতি।
তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্ব বিষয়ে জানাচ্ছিলেন এ বিজেপি নেতা, বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম কেন বারবার জুলাইয়ের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানের কথা বলে, আগে বুঝতে হবে সেই কারণ। ২০০৮ থেকে গত ১৭ বছর ধরে যে অবর্ণনীয় অত্যাচার চালিয়েছে আওয়ামী লীগ, তা তরুণদের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা যায়নি।
‘বর্তমান অনেক সংসদ সদস্যের বয়স তখন ছিল মাত্র ১০ বছর, সে সময় শেয়ারবাজারের দরবেশের কবলে পড়ে পথে বসেছে ৩০ লাখ মানুষ। পিলখানা হত্যাকাণ্ড কিংবা শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের অপমান, সেই ক্ষতগুলো হয়তো সেভাবে বোঝে না আজকের প্রজন্ম। ইয়াবাসম্রাট বদি কিংবা মমতাজের মতো ব্যক্তিদের এই পবিত্র সংসদে বসিয়ে সংসদকে করা হয়েছিল কলঙ্কিত। এসব তথ্য তরুণদের জানানো জরুরি।’
বিচার বিভাগ ও প্রশাসন প্রসঙ্গে পার্থের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ আমলে এমনভাবে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করা হয়েছে যে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল একজন প্রধান বিচারপতিকেও। খালেদা জিয়ার রায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম চলত গণভবনের বারান্দায়।
ব্যাংক লুট ও অর্থনৈতিক অপরাধের লাগাম টানতে ‘ইকোনমিক ট্রিজন’ বা অর্থনৈতিক রাষ্ট্রদ্রোহিতা আইন পাসের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।



