রক্ষণ ভোগাচ্ছে আর্জেন্টিনাকে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফেভারিট হিসেবে নামলেও পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ নিয়মিতই ভুল করছে। ডিফেন্সের ভুলের কারণে তারা ছয়টি গোল হজম করেছে। ডিফেন্স যে ভালো অবস্থায় নেই, তার প্রমাণ এত এত গোল হজম।
৪৯ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের এনদোয় গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি এবং এমিলিয়ানো মার্তিনেস দারুণ সেভ করেন সেই বলটা। যদি সেই গোলটা হতো, তাহলে হয়তো খেলা অন্যরকম হলেও হতে পারত।
সুইজারল্যান্ডের মূল একাদশ তাদের তারকা খেলোয়াড় মানজাম্বির ইনজুরির কারণে বড় ধাক্কা খায়। ম্যাচের প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অালিস্টারের গোলে আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ৬৭ মিনিটে অবশ্য ঠিকই অসাধারণ গোলে দলকে সমতায় ফেরান। এর কিছুক্ষণ পরই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে যায় এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায়। ১০ জনের সুইসের দুর্বলতার সুযোগ অবশ্য নির্ধারিত সময়ে কাজে লাগাতে পারে আর্জেন্টিনা।
অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হওয়া ইংল্যান্ড কিছুটা চাপে ছিল। কোয়ানসাহ সাসপেনশনে এবং জর্ডান হেন্ডারসন ইনজুরিতে থাকায় কোচ থমাস টুখেল দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন। তিনি এজরি কোনসাকে রাইট ফুলব্যাক এবং জন স্টোনসকে সেন্ট্রালব্যাক পজিশনে খেলান। অন্যদিকে নরওয়ে তাদের আগের ম্যাচের একাদশ থেকে শুধু অ্যান্থনিও নুসার পরিবর্তে শেলডারুপকে নামায়। রক্ষণাত্মক মিড ও লো ব্লকে খেলা নরওয়ে কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে শেলডারুপের চমৎকার গোলে খেলার ধারার বিপরীতে প্রথমে লিড নেয়। এর আগে কর্নার কিকের সময় আর্লিং হলান্ড জন স্টোনসকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে নরওয়ের একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল হয় এবং কর্নার রিটেক করা হয়। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর জুড বেলিংহামের অসাধারণ জোড়া গোলে ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়ায় এবং ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। মেক্সিকোর পর এই ম্যাচেও ব্যাক-টু-ব্যাক গোল করে বেলিংহাম নিজের ফর্মের প্রমাণ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে টুখেল ডেকলান রাইসকে তুলে বেলিংহামকে নিচে নামান এবং এজে, বুকায়ো সাকা ও মরগান রজার্সকে মাঠে নামিয়ে মাস্টারক্লাস সাবস্টিটিউশনের পরিচয় দেন।




