Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় শুরুর সুবাস

সীমিত আয়তনের দেশে মিয়াওয়াকি পদ্ধতি খুবই কার্যকর

আরহাম উল হক চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৮:৩৪
সীমিত আয়তনের দেশে মিয়াওয়াকি পদ্ধতি খুবই কার্যকর

এমনিতেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অবস্থা জেরবার, তদুপরি আমাদের স্বেচ্ছাচারী আচরণ পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনছে। অথচ আবহাওয়া ও ভূপ্রকৃতি অনুকূল থাকার সুবাদে আমরা একটু চেষ্টা করলেই আমাদের বনভূমির পরিমাণ বাড়াতে পারি, পরিবেশকে করতে পারি দূষণমুক্ত

২০৫০ সালের এক ভোর। ঢাকা শহরের ওপর ঝকমক করছে ভোরের আলো। ড্রোন ক্যামেরা ওড়াচ্ছে এক তরুণ প্রকৃতিপ্রেমী। পর্দার ছবিতে তাকাতেই মৃদু হাসির রেখা ফুটে ওঠে তরুণের মুখে। ড্রোন ক্যামেরায় বন্দি যে নগরী দেখা যায়, তাকে একসময় ধুলা, ধোঁয়া আর কংক্রিটের রাজ্য বলা হতো, আজ সে যেন সবুজের সমুদ্র। উত্তরা থেকে আগারগাঁও, মহাখালী থেকে বুড়িগঙ্গার তীর— ছাদের পর ছাদ, রাস্তার পর রাস্তা, ফাঁকা জমির পর জমি জুড়ে ছোট ছোট ঘন বন। কোথাও বাঁশঝাড়, কোথাও শিমুল-জারুলের আগুনরঙা ফুল, কোথাও আবার ছায়াময় দেশীয় বৃক্ষের গুচ্ছবন।

এই ভাদ্র মাসেও বাতাসে গুমোট ভাব নেই, আছে ভেজা মাটির গন্ধ। পাখিরা উড়ে যাচ্ছে এক বন থেকে আরেক বনে, যেন শহর জুড়ে তাদের জন্য অদৃশ্য সবুজ সেতু তৈরি হয়েছে। মানুষ সকালের হাঁটায় ঢুকে পড়ছে নগরবনের সরুপথে। কেউ গভীর শ্বাস নিচ্ছে, কেউ নীরবে হাঁটছে, কেউ শুধু শুনছে পাতার শব্দ।

ওপরের যে চিত্র সেটা কাল্পনিক, তবে একেবারে অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু ওই ভবিষ্যতের ২৪ বছর আগে আমাদের বর্তমান ঢাকা, এমনকি পুরো বাংলাদেশের পরিস্থিতি খুব একটা আশা জাগানোর মতো নয়।

অবস্থানের কারণে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ সহজাতভাবেই চিরহরিৎ; কিন্তু খুব দ্রুত এই চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের আঘাত। তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ছাড়াও আমরা আমাদের নেতিবাচক কাজের মাধ্যমে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনছি। যেখানে আমাদের বনভূমি ৩৩ শতাংশ থাকার কথা, সরকারি হিসাবে তা রয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ, অর্থাৎ অর্ধেকেরও কম।

সবাই বুঝতে পারছি আমরা কোথায় চলেছি, কিন্তু কেন যেন আমরা অনেকটাই নির্বিকার হয়ে দেখছি। জায়গা নেই, সময় নেই— এসব কথা বলে আশাহীন হয়ে আমরা ঠায় দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু কথায় বলে, যাবতীয় জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান অনেক ক্ষেত্রেই আসলে সহজ। উত্তরণের প্রথম ধাপ উদ্যোগের। পরিস্থিতি অনুযায়ী মোকাবিলা করতে হবে সমস্যার।

সবখানে বনায়নের দরকার থাকলেও অনেক বছর ধরে মানুষ যেহেতু চলে আসছেন শহরে, তাই বনায়নের মাত্রা শহরেই বাড়াতে হবে। এবং চাইলে পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব। বর্তমান সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা কোন উদ্ভট ভাবনা নয়, একটি অগ্রসর চিন্তা। শিল্পবিপ্লবের পর পৃথিবীর বিভিন্ন শহর তা প্রমাণ করেছে। তবে, তাদের স্থান সংকট এতটা জটিল নয়, আর্থসামাজিক অবস্থাও এত প্রতিকূল নয়। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, আমাদের আবহাওয়া ভূপ্রকৃতি অনুকূল।

বহুদিন ধরেই আমাদের বনায়ন বৃক্ষায়ন চলছে, কিন্তু আরও সুচিন্তিতভাবে করতে হবে। আমরা শহরের বড় রাজপথগুলোর পাশ ধরে দেশীয় বৃক্ষের আচ্ছাদন তৈরি করতে পারি। এর একটি চমৎকার উদাহরণ রয়েছে; আমাদের হেয়ার রোড থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত বিশাল সব বৃক্ষসারি, প্রায় সোয়াশ বছর আগে ঔপনিবেশিক যুগে করা নগর বনায়ন, যা এখনো কার্যকর। দুঃখজনক হলেও এমন উদ্যোগ আমরা দেখি না তেমন একটা।

জায়গা নেই, সময় নেই— এসব বলে আশাহীন হয়ে আমরা ঠায় দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু কথায় বলে, যাবতীয় জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান অনেক ক্ষেত্রেই আসলে সহজ। উত্তরণের প্রথম ধাপ উদ্যোগের

ঢাকার আগারগাঁওয়ের মাহবুব মোরশেদ সরণিতে আমরা একটি পরিকল্পিত সড়কবীথি গড়ে তুলেছি; প্রচলিত ধারা থেকে সরে একটু বড় আকারের বৃক্ষরোপণের স্থান তৈরি করে প্রায় ২৫ প্রজাতির দেশীয় ফুলের বৃক্ষের সমাহার করেছি। ভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ধরনের ফুল দেবে। পাখিদের জন্য তৈরি হবে আবাস। এভাবে স্থান সংকীর্ণ শহরে যেখানেই জায়গা পাওয়া যায়, সে স্থানের আকার বুঝেই বনায়ন করতে হবে।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও আমাদের দেশ জুড়ে অসংখ্য প্রাচীন বৃক্ষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। প্রয়োজন সেই গাছগুলো চিহ্নিত করে সংরক্ষিত তালিকাভুক্তকরণ। বিভিন্ন শহরে, মহাসড়কের ধারে অসংখ্য প্রাচীন গাছ আমরা দেখতে পাই। এর অনেকগুলো আমাদের অনেক পরিচিত, যেমন চট্টগ্রামের সিআরবির বিশাল বৃক্ষ, আবার যশোর রোডের ১৮৪০-এর দিকে জমিদার কালীপ্রসাদ পোদ্দারের তৈরি তরুবীথি। এগুলো এক-একটি স্বয়ং মনুষ্যসৃষ্ট প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র।

উত্তরায় সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে তৈরি মিয়াওয়াকি ফরেস্ট- ছবি: আরহাম চৌধুরীর সৌজন্যেউত্তরায় সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে তৈরি মিয়াওয়াকি ফরেস্ট- ছবি: আরহাম চৌধুরীর সৌজন্যে

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন হেরিটেজ ট্রির একটি তালিকা করা হয়ে থাকে এবং এই বৃক্ষগুলো আইনত সুরক্ষিত ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। প্রতিবছর আমাদের কোটি কোটি বৃক্ষরোপণ করা হয়, কিন্তু এর কোনো পরিণতি আমরা দেখতে পাই না। সংখ্যা আর ছবি তোলাটাই যেন লক্ষ্য। প্রয়োজন এই ধারা বদলে ত্রিমুখী পদক্ষেপ নেওয়া। যথাক্রমে— ১. সঠিক স্থান নির্বাচন ও মাটি প্রস্তুত, ২. সঠিক চারা ও প্রজাতি নির্বাচন এবং ৩. অন্তত এক থেকে দুই বছর পরিচর্যা।

সংখ্যার দিকে না দেখে দেখা দরকার মানের দিকে। মনে রাখতে হবে, সব গাছ সবখানে হবে না। রোদ, আলো, বাতাস আর এর অবস্থান ঠিক করবে সেখানে কী গাছ হবে। বিভিন্ন জায়গার মাটি, বিশেষ করে শহরের মাটি গাছ করার জন্য প্রায় ক্ষেত্রেই বেশ অনুপযোগী, তাই এই অনুর্বর ইট-পাথরের মাটি সঠিকভাবে প্রস্তুত না করে গাছ লাগালে এর বৃদ্ধি আশা করা যায় না। তেমনি অনেক জায়গায় খুবই অগভীর স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ফলে এর বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং কালক্রমে যে গাছটি উপড়ে পড়বে, সন্দেহ নেই তাতে।

এবার আসা যাক চারা বা প্রজাতি নির্বাচনে; প্রায়ই এক, দুটি বা ক্ষেত্রবিশেষে কিছুসংখ্যক প্রজাতির মধ্যেই বৃক্ষরোপণ সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এতে জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনো মাটির উপাদানের ওপরেও চাপ পড়ে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেখানকার পুরো বনায়নের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আশি-নব্বইয়ের দশকে আমরা ঢাকা জুড়ে কৃষ্ণচূড়া দেখতাম। হঠাৎ করে এখন আর দেখা যায় না এর বেশিরভাগই।

এরপর আসে পরিচর্যা। নদীর ধারের নরম পলিতে হয়তো চারা রোপণ করে দিলেই হয়, কিন্তু শহরের পথের পাশের এই বৈরী জায়গায় চারাটি খুব অসহায়। প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে যুদ্ধ করে সে প্রায়ই হেরে যায়। তাই অন্তত এক থেকে দুই বছর একে একটু রাখতে হয় যত্নে। সাধারণত দেশীয় প্রজাতিগুলো একটু মাটি ধরে ফেললেই আর ফিরে তাকাতে হয় না। তবে প্রথম অবস্থায় পরিচর্যা-পরিকল্পনা ছাড়া বৃক্ষরোপণ করা অপচয়।

বৈশ্বিক এই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে একটি পদ্ধতি বিশ্বে সমাদৃত হচ্ছে, তা হলো জাপানি উদ্ভিদবিদ আকিরা মিয়াওয়াকি উদ্ভাবিত মিয়াওয়াকি পদ্ধতি। এখানে ত্রিশ বা ততোধিক স্থানীয় প্রজাতির বৃক্ষ, মহিরুহ, গুল্মের সমন্বয়ে খুব ঘন করে বৃক্ষরোপণ করা হয়, যেখানে প্রজাতি মিশ্রণ করে প্রতি এক বর্গমিটারে তিন থেকে পাঁচটি চারা রোপণ করা হয়। এটি প্রায় ১০ গুণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে আমরা দুই বছরে প্রায় ১০ বছরের বৃদ্ধি দেখতে পারি এবং দুই বছর পর এর কোনো ধরনের পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। দুই বছরেই আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ বন দেখতে পাই, যা প্রচলিত বনায়ন থেকে ৫০ গুণ বেশি ঘন, ৩০ গুণ বেশি জীববৈচিত্র্যময় আর প্রায় ৭০ গুণ বেশি অক্সিজেন দেয়। এই বনায়ন এমন একটি বন তৈরি করে, যার ঘনত্বের কারণে মাটিতে রোদ প্রবেশ করে না। বৈচিত্র্যময়ের কারণে এর নিজস্ব এক বাস্তুতন্ত্র গড়ে ওঠে।

২০২২ সালের এপ্রিল-মে মাসে সিলেটের খাদিমে উদ্যোক্তা নাজিম ফারহান চৌধুরীর সঙ্গে আমরা দেশে প্রথম মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে বনায়ন করে অভূতপূর্ব ফল দেখতে পাই। আবার ২০২৪-এর অক্টোবর মাসে ঢাকার শহীদ তাজউদ্দীন পার্কে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিবেশ সার্কেলের উদ্যোগে পরীক্ষামূলক মিয়াওয়াকি বন করি। মাত্র এক বছরে দারুণ বৃদ্ধি লক্ষ করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে উত্তরার দিয়াবাড়িতে দেশের সর্ববৃহৎ মিয়াওয়াকি তথা সর্ববৃহৎ নগর বন গড়ে তুলেছি। প্রকৃত অর্থে এটি মিয়াওয়াকি অনুসৃত একটি নগর বন হলেও আমরা এখানে নগর বনায়নকে আরও সমৃদ্ধ করে নানা উপাদানযোগে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি। এই নগর বনায়নগুলোয় আমরা প্রাণীদের বাস্তু উন্নত ছাড়াও শহরের নাগরিক জীবনের মন-দৈহিক অস্থিরতা দূর করতে প্রশংসিত ও কার্যকর পদ্ধতি ‘শিনরীন ইয়ুকু’ বা ‘বন স্নান’-এর উপাদান যোগ করেছি। এখানে গভীর বনের ভেতরে হেঁটে যে মনোদৈহিক নিরাময় পাওয়া যায়, সেই অনুরূপ পথ তৈরি করা হয়েছে। পুরো বনের বিন্যাস করা হয়েছে বায়োমিমিক্রি পন্থা অনুসরণে। বিয়োফিলিক বিন্যাসের মাধ্যমে আমরা এখানে ঢালু উঁচু-নিচু টিলা করে প্রাকৃতিক প্রতিচ্ছবি করার চেষ্টা করেছি, যা পরে একেবারেই পরিণত হবে প্রাকৃতিক বনে।

আমাদের মতো সীমিত আয়তন ও সংগতির দেশে এই মিয়াওয়াকি পদ্ধতি খুবই উপযোগী। এখানে মাত্র দুই বছরেই আমরা পূর্ণাঙ্গ একটি বন পাই, পরবর্তীতে যার কোনো ধরনের পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে না। এভাবে খুঁজে খুঁজে যেখানেই কিছু জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই ছোট ছোট গুচ্ছবন গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকার মহাখালী-সাতরাস্তার ইউলুপগুলোয় ডিএনসিসির উদ্যোগে আমরা অনুরূপ গুচ্ছ বনায়নের চেষ্টা করেছি। আমরা সব সরকারি জায়গা যদি অন্তত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গুচ্ছ বনায়নের জন্য নির্দিষ্ট করি, তাহলে পরিস্থিতি খুব সহজেই পাল্টে ফেলা সম্ভব। আমাদের আছে দীর্ঘ নদীতীর। এই জায়গাগুলোয় যদি ঘন বনায়ন করা হয়, তাহলে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসও প্রতিরোধ করা যাবে আর ঘন বনায়ন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বায়ু শোধন, বর্ষার বাড়তি জলাবদ্ধতাও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। তেমনি যত মহাসড়ক আছে, এর পাশ ধরে প্রচলিত বনায়নকে আরও একটু ঘন করে গুচ্ছ বনের রূপ দিতে পারি। আবার আমাদের দেশ জুড়ে ছড়িয়ে আছে রেললাইন। রেললাইন ধরে আমরা সমান্তরালভাবে বনায়ন করে বৃক্ষ আচ্ছাদনের ট্রি-ক্যানোপি করে জীববৈচিত্র্যের চলাচলের জন্য করিডর করে বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল গড়ে তুলতে পারি। এক শহর থেকে আরেক শহরে এঁকেবেঁকে চলা রেললাইন তার সঙ্গে সবুজকেও নিয়ে যাবে অন্য প্রান্তরে।

 

লেখক: নগর পরিকল্পনাবিদ

জলবায়ুস্বেচ্ছাচারীবিপর্যয়শুরুর সুবাস
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ৩
    অস্ট্রিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    মিসর
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    কেপ ভার্দে
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:৩০ টা
    কলম্বিয়া
    ০
    ঘানা
    ০
    advertisement
    advertisement
    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০০

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩১

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫২

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২

    রোনালদোর রেকর্ডের রাতে মদরিচের স্বপ্নভঙ্গ

    রোনালদোর রেকর্ডের রাতে মদরিচের স্বপ্নভঙ্গ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫১

    ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু

    ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩

    রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

    রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯

    advertiseadvertise