Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
হোটেলশ্রমিক সোহেলের মজুরিতে রাস্তা সংস্কার
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশেষ লেখা

আমার হৃদয়ে বাঁচো

রাজনৈতিক টোস্ট, চানাচুর এবং চা

ইরাজ আহমেদ
ইরাজ আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৯
শেয়ার করুন:
রাজনৈতিক টোস্ট, চানাচুর এবং চা

ইরাজ আহমেদ। স্কেচ: আগামীর সময়

বিকেলবেলা পার্টি অফিসের খুবই স্বল্প প্রসারিত একটি ঘরে বসে চানাচুর দিয়ে মাখা মুড়ি চিবাতে চিবাতে কথাটা বলেছিলেন নির্মল সেন। বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক নির্মল সেনের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। শ্রমিক-কৃষক সমাজবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত মানুষটি আন্দোলন-সংগ্রামে থাকতেন সামনের সারিতে। তার কথাটা আজও আমার মনে পড়ে। রাজনীতির হালচাল বুঝতে মাঝে মাঝেই ঢাকার তোপখানা রোডে তার পার্টি অফিসে গেলে মুড়ি-চানাচুর খাওয়াতেন আর বলতেন, ‘খাও খাও, রাজনীতির খবর জানতে হলে টোস্ট বিস্কুট আর চানাচুর খেতে হয়। রাজনৈতিক রিপোর্টার হবে আর এই খাবার গলাধঃকরণ করবে না তা হবে না।’

কাঠের টেবিলের ওপর পত্রিকার একটি পৃষ্ঠা বিছিয়ে দিয়ে তার ওপর মুড়ি আর চানাচুর। বহুদিন সেই মুড়ি আর চানাচুর খেতে খেতে শুনেছি তার রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিয়ে তার বিশ্লেষণ। অফিসে বসে সর্বদাই আড্ডার মুডে থাকতেন নির্মল সেন। চিরকুমার ছিলেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাবের বড় ঘরটাতে দেখতাম সকালবেলা তুমুল আড্ডা দিচ্ছেন। আবার কখনো লাইব্রেরিতে গভীর মনযোগে পত্র-পত্রিকার পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছেন। অন্য ছোট-বড় সব সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন নির্মলদা। পিতার বন্ধু ও সহকর্মী ছিলেন বলে আমি ডাকতাম নির্মল কাকা। তার অফিসে চানাচুর আর দুধ দেওয়া চায়ের সঙ্গে কখনো বাড়তি হিসেবে মিলে যেত দেশের রাজনীতির গতিপথের আগাম পূর্বাভাস।

বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিক নির্মল সেন

বামপন্থী রাজনৈতিক দলের অফিসে চা আর টোস্ট বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়ন এক ধরনের সংস্কৃতিতে বরাবরই প্রচলিত। পুরানা পল্টনে সিপিবি অফিসে দুপুরবেলা খবর সংগ্রহের কাজে গেলে এই চা আর কখনো টোস্ট বিস্কুট ছিল বাঁধা। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে ওই অফিসে দিনেরবেলা নিশ্চিত ভাবে দেখা মিলত কমিউনিস্ট পার্টির একনিষ্ঠ কর্মী আবদুশ শহীদের। মাঝে মাঝে মনে হতো পার্টি অফিসটাই বোধহয় তার নিজস্ব গৃহ। দেখা হলেই স্মিত হেসে অনেক কথার ঝুলি নিয়ে এগিয়ে আসতেন। বয়স তখন কম। তখন সগর্বে প্রাণবান সাপ্তাহিক বিচিত্রায় চলছে হাতেকলমে সাংবাদিকতা শেখার পর্ব। নানা ছটফটানির কারণে শহীদ ভাইয়ের কথা মন দিয়ে শোনা হতো না। তবে কখনো কখনো পল্টনের ফুটপাত ধরে তার সঙ্গে হাঁটতাম। মাঝে পল্টনের গলিতে ছাপরা চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে চা খেতাম। দেশে সামরিক সরকার বিরোধী রাজনীতি, ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ, নিজের লেখা বই নিয়ে কথা হতো। কারাগারের স্মৃতি নিয়ে একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল তার। লিখেছিলেন দুই খণ্ডে আত্মকথা। খুব মৃদু কণ্ঠে নিজের জীবনের নানা অধ্যায়ের গল্প করতেন। হাঁটতে হাঁটতে চলে যেতেন লুপ্ত দৈনিক বাংলা অফিসে। একাধিক জাতীয় দৈনিক আর সাপ্তাহিক পত্রিকায় সাংবাদিকতাও করেছিলেন তিনি। রাজনীতির চমকপ্রদ কোনো খবর তার কাছে না মিললেও বিচিত্র জীবনের কাহিনি জানা হতো তার কাছ থেকে।

আমার হৃদয়ে বাঁচোইরাজ আহমেদ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    নির্মল সেনের লেখা বই

    ‘রাজনৈতিক টোস্ট বিস্কুট’ নামটার উদ্ভব ঘটেছিল বিএনপির একদা প্রতাপশালী মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুঁইয়ার বাসভবন থেকে। বিএনপি তখন শাসন ক্ষমতায়। জাতীয় দৈনিকে কাজ করি। অফিসের কাজ আর অ্যাসাইনমেন্ট জমা করে হানা দিই মান্নান ভুঁইয়ার বাসায়। রাজনীতির খবর জানতে আরও কয়েকজন রিপোর্টারও সেখানে হাজির হয়ে যান নিয়ম করে। বাড়ির দোতলায় নানা কথায় সময় পার হয়ে যায়। মাঝখানে প্রতিদিনের নিয়মে আপ্যায়ন হিসেবে আসে লাল চা আর টোস্ট বিস্কুট। রাত বাড়তে থাকলে পাকস্থলী নানা দাবি পেশ করতে থাকে। অনেকে নিষ্প্রাণ টোস্টের বদলে অন্য খাদ্যের কথা তুললে মান্নান ভাই মৃদু হাসতেন। তখনই কেউ একজন মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই টোস্ট বিস্কুটও হচ্ছে রাজনৈতিক। এরও একটা শ্রেণি চরিত্র আছে বলে মনে হয়।’ সেই থেকেই একটা কথা প্রচলিত হয়ে যায় রিপোর্টার মহলে, ‘মান্নান ভুঁইয়ার রাজনৈতিক টোস্ট’। 

    এই চা, টোস্ট আর চানাচুরের সংস্কৃতির বাইরে ছিলেন আওয়ামী লীগের তখনকার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল ও ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। খবর সংগ্রহের জন্য গেলে খোকা ভাই প্রচুর ফলমূল খাওয়াতেন এবং নিজেও খেতেন। আবদুল জলিলের বাড়িতে প্রায়শই ভাত-মাছের আয়োজন থাকত সাংবাদিকের জন্য।

    কয়েক দশক আগে বাংলাদেশে রাজনীতির মানুষদের সঙ্গে কফি সংস্কৃতির বিষয়টা তেমন প্রচলিত হয়ে ওঠেনি। ‘চায়ের কাপে ঝড়’ এই বাক্যবন্ধটির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়েছিল বিক্ষুব্ধ রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তর্ক-বিতর্ক আর রাজনৈতিক খবরের ভিড়ে চায়ের কাপ হয়ে উঠেছিল একটি পৃথক  চরিত্র। আশির দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় সাপ্তাহিক বিচিত্রার হয়ে নানা আন্দোলন আর সংঘাতময় পরিস্থিতির খবর জোগাড় করতে হতো। তখন মনে হতো সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত মধুর ক্যান্টিনের চা না খেলে দিনের রাজনৈতিক জ্ঞান পূর্ণ হবার নয়। সেই ঝোড়ো দিনগুলোতে অরুণদাকে দেখতাম ভীষণ ব্যস্ত এক ক্যান্টিন সামলাতেন দক্ষ হাতে। টেবিলে টেবিলে তখন আছড়ে পড়ত অজস্র কাপ চা। প্রখ্যাত ছাত্রনেতারা বসে উত্তপ্ত টেবিল মিটিং করতেন। হয়ত এখনও তাই হয়, আমি আর পা রাখি না সেখানে।