২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব

ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশের জন্য ২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের বাকি টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান। এতে বক্তব্য দেন হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাদের হজ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার দাবি জানায় হাব।
সংগঠনটি জানায়, চলতি বছরের হজ কার্যক্রমে মেডিকেল ফির নামে আটকে রাখা প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল ইতোমধ্যে ফেরত পাওয়া গেছে। এ অর্থ ফেরত পেতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হাব। একই সঙ্গে বকেয়া অবশিষ্ট অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
হাবের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের হজে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত যাত্রীদের ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ জমা না দিলে প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল হতে পারে এবং তাদের হজযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে সৌদি সরকার ও দূতাবাস, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে সংগঠনটি।



