সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার দাবি

ফাইল ছবি
দেরিতে হলেও পদত্যাগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আশীর্বাদপুষ্ট সাহাবুদ্দিনের সরে যাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) পার্টি।
দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা চেয়েছিলাম জুলাইয়ের সব অংশীজনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত এই বিতর্কিত ব্যক্তির অপসারণ বা পদত্যাগ। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল বিএনপি শুরু থেকেই এ ব্যাপারে সম্মত ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাও এ ব্যাপারে কম দায়ী নয়।
তারা বলেছেন, বিএনপি বারবার সাংবিধানিক শূন্যতার কথা এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার বিষয়টিকে সামনে এনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর পতিত ফ্যাসিবাদের পুতুল এই বিতর্কিত ব্যক্তিকে দিয়ে সংসদে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতিকে আরও হাস্যকর এবং তামাশার বিষয় বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ইমপিচমেন্ট করার উদ্যোগ গ্রহণেও বিএনপি পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, চেপে বসা ফ্যাসিবাদের মূল শেখ হাসিনা, তার চোর-লুটেরা মন্ত্রিপরিষদ, পদলেহনকারী চিফ জাস্টিস, পুলিশ বাহিনীর হোতারা, দালাল সাংবাদিকরা, ব্যবসায়ীসহ প্রধান চরিত্রের বেশিরভাগ অংশকে বিতাড়িত করতে সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লেগেছিল মাত্র ৩৬ দিন। এর জন্য লেগেছিল সবার ঐক্যবদ্ধতা। সংবিধানের দোহাই, সংসদ, আইনের ফাঁকফোকর কিছুরই প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু ফ্যাসিবাদের অংশীদার পুতুল রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরাতে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী বিএনপির লেগেছে ১৫৮ দিন। এর অন্তরালে কি উদ্দেশ্য ও বিধেয় কাজ করেছে তা আশাকরি জনগণ বিবেচনায় নেবে।
এবি পার্টির নেতারা সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি, ব্যাংকের টাকা লুটপাট ও পাচারসহ আনীত সব অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।





